আফগানিস্তানের নতুন ব্যাটিং কোচ রেডফোর্ড

বিপিএল
ঢাকা ক্যাপিটালস
ঢাকা ক্যাপিটালস
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হিসেবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এসেছিলেন টবি রেডফোর্ড। তবে সিলেট পর্ব শেষেই বাংলাদেশ ছেড়েছেন তিনি। আফগানিস্তানের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব নিতে বিপিএল শেষ না করেই চলে গেছেন ইংলিশ এই কোচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকে আফগানিস্তানের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন রেডফোর্ড।

বিপিএলের চলতি আসরে দল হিসেবে ভালো করতে পারছে না ঢাকা। এখনো পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলে মাত্র দুইটিতে জিতেছেন সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুনরা। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আরও দুইটি ম্যাচ খেলবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তবে সেই দুই ম্যাচে প্রধান কোচ রেডফোর্ডকে পাবে না ঢাকা।

জানুয়ারির চতুর্থ সপ্তাহ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান। সেই সিরিজের আগে রেডফোর্ডকে ব্যাটিং কোচ হিসেবে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। মোহাম্মদ নবি, রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরানদের দায়িত্ব নিতে বিপিএল ছেড়েছেন তিনি। অ্যান্ড্রু প্যাট্টিকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন রেডফোর্ড।

ইংলিশ কোচ হিসেবে বেশ ভালো পরিচিতি আছে তাঁর। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মিডলসেক্স ও সাসেক্সের হয়ে কোচিং করিয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ডের লেভেল-৪ কোচিং সার্টিফিকেটও আছে রেডফোর্ডের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের হয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। ক্যারিবীয়দের ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের সময় কোচিং স্টাফে ছিলেন।

এ ছাড়া দ্বিতীয় দফায় ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ জেতার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচিং স্টাফে ছিলেন তিনি। এর বাইরে ২০২০-২২ পর্যন্ত বাংলাদেশের হাই পারফরম্যান্স দলের প্রধান ছিলেন রেডফোর্ড। পরবর্তীতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন ইংলিশ এই কোচ।

রেডফোর্ডের অধীনে ২০০৮ সালে জাতীয় টি-টোয়েন্টিতে চ্যাম্পিয়ন হয় মিডলসেক্স। এ ছাড়া গ্লামারগণের প্রধান কোচও ছিলেন। এদিকে স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং ট্রেনার হিসেবে রবাটট আহমুনকে দায়িত্ব দিয়েছে আফগানিস্তান। তাদের দুজনকেই এক বছরের জন্য দায়িত্ব দিয়েছে এসিবি।

আরো পড়ুন: