বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রত্যাশিত শুরু পায়নি ঢাকা। ১৯ রানের মধ্যে উপরের সারির ৪ ব্যাটারকে হারায় তারা। এর মধ্যে চতুর্থ ওভারে এসে ঢাকার জোড়া উইকেট শিকার করেন ইহসানউল্লাহ। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি।
দুজনে মিলে যোগ করেন ৫৩ রান। আর তাতেই ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় ঢাকার দলটি। শামীম ১৬ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলে ফেরার পর আবারও শুরু হয় ব্যাটারদের আসা যাওয়া। মিঠুন ফেরেন ৩৩ রান করে। এরপর আর দলটি বেশিদূর এগোতে পারেনি। তাদের ইনিংস শেষ হয় রানে।
শেষদিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। নোয়াখালীর হয়ে দুটি করে উইকেট ইহসানউল্লাহ, মেহেদী হাসান রানা, হাসান মাহমুদ ও মোহাম্মদ নবি। একটি উইকেট পান আবু জায়েদ রাহি।
নোয়াখালীর হয়ে ইনিংস শুরু করেন অভিজ্ঞ সৌম্য সরকার ও ইসাখীল। দুজনে মিলে দলটিকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। সৌম্য ও ইসাখীলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১০ ওভারের মধ্যেই দলীয় একশতে পৌঁছে যায় নোয়াখালী। সৌম্য ছিলেন হাফ সেঞ্চুরির দোরগোড়ায়। তিনি ৪৮ রান করে আউট হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুনের শিকার হয়ে। ফলে ১০১ রানে নিজেদের প্রথম উইকেট হারায় নোয়াখালী।
এরপর একপ্রান্তে ব্যাটারদের আসা যাওয়া থাকলেও হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দেখে শুনে খেলতে থাকেন ইসাখীল। বিনা উইকেটে ১০১ রান করা নোয়াখালী পরবর্তী ৭২ রানের মধ্যে নিজেদের ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে ফেলে। ১১৯ রানে তৃতীয় উইকেটের পতনের পর ইসাখীলকে সঙ্গ দিতে আসেন তার বাবা মোহাম্মদ নবি।
দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেটে গড়েন ৫৩ রানের জুটি। নবি ফিরেছেন ১৭ রান করে। সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার সুযোগ ছিল ইসাখীলের সামনে। তবে তিনি ৬০ বলে ৯২ রানের ইনিংস খেলে ফিরে যান। শেষের দিকে ব্যাটাররা কেউ ভালো করতে না পারায় ১৮৪ রান করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছেন নোয়াখালীকে। ঢাকার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাইজুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।