চলতি বিপিএলে ঢাকার হয়ে খেলছেন গুরবাজ। সবশেষ ম্যাচে একটি হাফ সেঞ্চুরিও পেয়েছেন আফগান ওপেনার। সেই ম্যাচের পর রাতে গিয়ে ঘুমাতে পারেননি তিনি। পরবর্তীতে পরদিন সকাল সাতটা কিংবা ৮টা নাগাদ ঘুমিয়েছেন গুরবাজ। ওই সময়ে হুট করেই বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের কয়েকজন সদস্য রুমে ঢুকে গুরবাজের মোবাইল ফোন চেক করেন।
পাশাপাশি বেশ কিছু প্রশ্নও করেছেন তারা। এ ছাড়া ব্যাটার সাইফকে প্যাড পরা অবস্থায় জেরা করেছেন। এ নিয়ে নিয়ম না মানার অভিযোগ তুলেছেন আতিক ফাহাদ। তিনি মনে করেন, ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে অস্থিতিশীল করতেই এমন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ঢাকার প্রধান নির্বাহী জানান, একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি বাদে বাকি সবাইকে ক্রিমিনালের মতো নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
আতিকের এমন অভিযোগের পর বিসিবি পক্ষ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইন্টিগ্রিটি ইউনিট আবারও জানাচ্ছে, বিপিএলের ১২তম আসরে ইন্টিগ্রিটি সংক্রান্ত নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। স্বাধীন চেয়ারম্যান অ্যালেক্স মার্শাল নেতৃত্বাধীন ইউনিট আইসিসির বৈশ্বিক ইন্টিগ্রিটি কাঠামোর অধীনে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখছে। বিসিবি বলেছে, এর মধ্যে কোনো খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মীর অধিকার লঙ্ঘন করা হয়নি।'
১০ জানুয়ারি ইফতেখার রহমান মিঠু জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার বিপিএলে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড দ্রুততার সঙ্গে কমে গেছে। বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের এমন মন্তব্যের পর বিসিবি জানিয়েছে, প্রায় ৮০ শতাংশ সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড কমেছে। সেই সঙ্গে তারা নিশ্চিত করেছে, বিদেশি ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তাদের দোষী প্রমাণের উদ্দেশ্যে এমনটা করা হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'ইউনিটের প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের ফলে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের সতর্কবার্তা প্রায় ৮০ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড়কে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যাতে বিষয়গুলো যাচাই করা যায়। এই বৈঠকগুলো গোপনীয় এবং কোনো খেলোয়াড়কে অভিযুক্ত করা বা দোষী প্রমাণের উদ্দেশ্যে নয়।'