মার্টিনের সঙ্গী আমান্ডা জানিয়েছেন, কোমা থেকে জেগে ওঠার পর চিকিৎসায় দ্রুত সাড়া দিচ্ছেন মার্টিন। তার সাবেক সতীর্থ অ্যাডাম গিলক্রিস্টও অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমকে এমনটা নিশ্চিত করেন।
গিলক্রিস্ট বলেন, 'মার্টিন কথা বলে শুরু করেছে। ওর পরিবারের কাছে গোটা বিষয়টা অবিশ্বাস্য। আশা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই মার্টিনকে আইসিইউ থেকে বের করা যাবে। তবে আপাতত ওকে হাসপাতালেই রাখা হবে। আমি আমান্ডার সঙ্গে কথা বলেছি। ও মনে করে এত ভালোবাসা ও প্রার্থনার জোরেই মার্টিন সুস্থ হয়ে উঠছে। কিন্তু ও যেভাবে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এল, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।'
গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মার্টিনের শারীরিক অবস্থার খবর প্রকাশ্যে আসে। ইএসপিএনক্রিকইনফোকে তার অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নাইনের তথ্যমতে, বক্সিং ডে'তে বাড়িতে বিশ্রাম নিতে শুয়ে পড়ার পরই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে মার্টিনের। এরপর তাকে কুইন্সল্যান্ডের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন ডেমিয়েন মার্টিন। ক্যারিয়ারে ৬৭টি টেস্টে ৪৬.৩৭ গড়ে করেছেন ৪৪০৬ রান, আছে ১৩টি সেঞ্চুরি।
ওয়ানডেতে ২০৮ ম্যাচে ৫৩৪৬ রান করার পাশাপাশি জিতেছেন ১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপ এবং ২০০৬ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিংয়ের অধীনে অস্ট্রেলিয়ার সফল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি।