এর আগে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষেও ১০ উইকেটে জিতে নেয় চট্টগ্রাম। আসরে এটি তাদের তৃতীয় জয়। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানে আছে দলটি। অপরদিকে দুই জয়ে পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে আছে সিলেট।
১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতেই ১১৫ রান তোলে চট্টগ্রাম। দুই ওপেনার নাইম এবং রসিংটনের ব্যাটে পাওয়ার প্লে'তে দলটি তুলেছে বিনা উইকেটে ৫২ রান। ১০ ওভারে দলটি সংগ্রহ করে বিনা উইকেটে ৯৩ রান।
দারুণ খেলতে থাকা রসিংটন হাফ সেঞ্চুরি করেন ৩৭ বলে। ১১.২ ওভারে দলীয় শতক পূরণ করে চট্টগ্রাম। এর একটু পর ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাইম। তবে দলকে জয়ের কাছাকাছি রেখে ফিরে যান নাইম।
রাহাতুল ফেরদৌসের টসড আপ ডেলিভারিতে লং অনে খেলতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন নাইম। ফেরার আগে ৩৭ বলে ৫২ রান করেন এই ওপেনার। এরপর দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন রসিংটন এবং সাদমান ইসলাম। ৫৩ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন রসিংটন। সাদমান করেন ছয় বলে তিন রান।
একাদশে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে সিলেট। ওপেনিংয়ে নেমেও ব্যাটিংয়ে সফল হতে পারেননি মিরাজ। ব্যর্থতাকে সঙ্গী করে দ্রুতই ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন হযরতউল্লাহ জাজাই, জাকির হাসান, ইথান ব্রুকসরা।
বিপিএলে ছন্দে থাকলেও চট্টগ্রামের বিপক্ষে জ্বলে উঠতে পারেননি আফিফ হোসেন। পাওয়ার প্লে শেষের আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে মহাবিপর্যয়ে পড়ে সিলেট।
এমন অবস্থায় স্বাগতিকদের হাল ধরার চেষ্টা করেন পারভেজ ইমন এবং ওমরজাই। তারা দুজনে মিলে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন।
যদিও দ্রুত রান তুলতে পারেননি। ২২ বলে ১৭ রান করে আমের জামালের বলে আউট হয়েছেন ইমন। তবে একপ্রান্ত আগলে ৪১ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন ওমরজাই। এ ছাড়া রাহাতুল ফেরদৌস ১৭ ও নাসুম ১৩ রান করেছেন। ৭ উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১২৬ রানের পুঁজি পেয়েছে সিলেট। চট্টগ্রামের হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন মির্জা তাহির বেগ ও মেহেদী।