৬১ রানের ছোট লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাউথের বোলারদের ওপর ঝড় বইয়ে দেন নর্থের ওপেনার সাব্বির। চার ছক্কা ও তিন চারে মাত্র ৩৫ বলেই ৫৪ রান করে তৃতীয় দিনেই দলের জয় নিশ্চিত করেন সাব্বির। অন্যপ্রান্তে আবদুল্লাহ আল মামুন সাত রানে অপরাজিত থাকলে কোনো উইকেট না হারিয়েই জয় নিশ্চিত করে নর্থ জোন।
প্রথম ইনিংসে ১১২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে সাউথ জোন। নর্থ জোনের বড় রানের চাপে ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ। তৃতীয় ওভারেই রবিউল হকের বলে বোল্ড হয়ে ৯ রানে ফিরে যান এনামুল হক বিজয়। এক ওভার পরেই রবিউলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরে যান ফজলে রাব্বি। দলীয় ৪১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় সাউথজোন। কালাম সিদ্দিকীকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান সেই রবিউল।
আগের ইনিংসে ফিফটি করা সাউথজোন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনও এদিন ব্যর্থ। ১০ রান করে বোল্ড হয়ে রবিউলের চতুর্থ শিকার হন তিনি। এক প্রান্তে হাল ধরা ইফতেখার ইফতিও ফিরে যান দলীয় ৬১ রানে। ৪৩ বলে ৩২ রান করেন তিনি। তিন রান করে রিজান হোসেন তাইজুলের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত হলে ৬৭ রানে ৬ উইকেটের দল তখন সাউথজোন।
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন সামিউন বাসির রাতুলও মইন খান। দুইজনের ৮০ রানের জুটি ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখালেও তাইজুল সেই জুটিকে আর বড় হতে দেননি। দলীয় ১৪৭ রানে ব্যক্তিগত ৪২ রানে তাইজুলের বলে লেগ বিফোর হন মইন। এরপর একপ্রান্তে দ্রুত আরো দুই উইকেট হারায় সাউথ। আবু জায়েদ রাহীকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন রবিউল।
অন্যপ্রান্তে ফিফটি তুলে নেন রাতুল। মেহেরব হোসেনের বলে ফিরতি ক্যচ দিয়ে আউট হবার আগে সমান তিনটি করে ছক্কা ও চারে ৫৩ রান করেন তিনি। ১৭২ রানে অল আউট হয় সাউথ। রবিউলের পাঁচ উকেটের সাথে দুটি করে উইকেট নেন তাইজুল ও মেহেরব। আবদুল্লাহ আল মামুন নন একটি উইকেট।
এর আগে ৬৫ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে নর্থ জোন। নিজের প্রথম দ্বিশতকের স্বপ্ন নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা প্রিতম আগের দিনের ১৫১ রানের সাথে মাত্র চার রান যোগ করে আউট হন। সফর আলীর বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ার আগে ২০৩ বলে ১৫৫ রান করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
প্রিতম আউট হবার পর খুব বেশি এগোয়নি নর্থের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে আলআউট হয় তারা। সাউথ জোনের হয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করেন পেসার সফর। এছাড়াও রাহী ও রাতুল দুইটি করে এবং আশরাফুল হাসান একটি উইকেট পান।