তিন উইকেটে ২৪৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে ইস্ট জোন। ৮৮ রানে অপরাজিত ছিলেন অমিত, মুশফিক অপরাজিত ছিলেন ৫৯ রান। দলীয় ২৮৯ রানে ফিরে যান মুশফিক। জিশান আলমের বলে খোঁচা মেরে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দেন তিনি। ফেরার আগে করেন ১২২ বলে ৮৩ রান।
এরপর অমিতের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন ইয়াসির আলী রাব্বি। সেঞ্চুরিয়ান অমিতকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন ইকবাল হোসেন ইমন। অমিতও উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। তারপর টেল এন্ডারদের সঙ্গে ছোটো ছোটো জুটিতে দলকে সাড়ে চারশ রান পার করান রাব্বি।
১১৯ বলে ১১টি চারে ৭৯ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। সেন্ট্রাল জোনের হয়ে ১৫২ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন রাকিবুল হাসান। দুটি উইকেট নেন এনামুল হক। একটি করে উইকেট নেন ইমন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং জিশান।
ফের ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে সেন্ট্রাল জোন। প্রথম ইনিংসে ৩০৭ রান করা দলটি এই ইনিংসে একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি। ইস্ট জোনের হয়ে তিনটি উইকেট নেন খালেদ আহমেদ। দুটি উইকেট নেন হাসান মুরাদ। একটি করে উইকেট নেন ইবাদত হোসেন এবং তোফায়েল আহমেদ।
শুরুতে নাইম শেখকে বোল্ড করে সেন্ট্রালকে বিপদে ফেলেন ইবাদত। ১২ বলে চার রান করেন নাইম। একটু পর মাহফিজুল ইসলাম রবিন বোল্ড হন খালেদের বলে। ২৭ বলে ১৩ রান করেন রবিন। জিশান ১৫ বলে ১০, আশিকুর রহমান শিবলি ৩০ বলে ১৭ এবং মোসাদ্দেক ২১ বলে ২২ রান করে ফিরলে আরো বিপদে পড়ে সেন্ট্রাল।