চলতি বিসিএলে ইস্ট জোনের হয়ে খেলছেন মুমিনুল। প্রথম ম্যাচেই ব্যাট হেসেছে তার। খেলেছেন ৮২ বলে ৮৩ রানের ইনিংস। তবে দলকে জেতাতে পারেননি। নর্থ জোনের দেয়া ৩৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইস্ট জোন থামে ২৮১ রানে।
হারের পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মুমিনুল জানান প্রতিটি ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে টেস্ট ক্রিকেট খেলা। তবে সাদমান ইসলাম ও তার মতো ক্রিকেটার যারা বিপিএলের মতো টুর্নামেন্টেও খেলার সুযোগ পান না। তাদের দেখে কেউ আর টেস্ট ক্রিকেটার হতে চাইবেন না বলে দাবি করেন মুমিনুল। আজ এর সঙ্গে সহমত পোষণ করেন ইস্ট জোনের কোচ তালহাও।
তিনি বলেন, 'আমাদের দেশে তো সব থেকে বড় সমস্যা আমরা তকমা দিয়ে দেই। অল্প সময়েই তকমা দিয়ে দেই আবার ওই তকমাটা অনেকের জন্য অনেক লম্বা সময় হয়ে ধরে যায়। তাই এই জিনিসগুলো একদমই ঠিক না। যে কেউ যেকোনো ফরম্যাট ভালো খেলতে পারে। যার সক্ষমতা যার কোয়ালিটি আছে সে সব ফরম্যাট খেলতে পারে। তাই এরকম কোনো তকমা দেয়া উচিত না। আমি লাল বলের প্লেয়ার, সাদা বলে উন্নতি করেছি, তাহলে আমি সাদা বলের জন্য বিবেচিত হওয়া উচিত।'
'মুমিনুল, শান্ত, লিটন তিনটা সিনিয়র প্লেয়ার এখন বর্তমানে। দেখেন আমাদের কিন্তু এই ৭০-৮০টা প্লেয়ারই আছে যারা খেলবে। আপনি জানেন না যে কে কখন খেলবে। যে পারফর্ম করবে সে খেলবে।'
সাদমান ইসলামের উদাহরণ টেনে ক্রিকেটারদের তকমা দেয়ার বাজে দিকও তুলে ধরেন তালহা। আগামী মে-জুনে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের আগে 'টেস্ট ওপেনার' খ্যাত সাদমান কোথায় খেলে প্রস্তুতি নেবে, এমন প্রশ্নও তোলেন তালহা।
তিনি আরো বলেন, 'সাদমান কিন্তু খুবই হতাশ ছিল যখন ও জানতে পেরেছে যে ও এই টুর্নামেন্টে নেই। সাদমান কিন্তু ওয়ানডে ক্রিকেটেও এখন ভালো খেলছে ভালো শটস খেলছে, গত প্রিমিয়ার লিগেও ভালো খেলেছে। সাদমানের মতো প্লেয়ারকে আপনি যদি উৎসাহী না করেন তাহলে পাকিস্তান সিরিজের আগে সাদমান আসলে কোথায় খেলবে? ওর ম্যাচ অনুশীলন কই হবে?'