এই অলরাউন্ডার ৮৫ বল সামলে ১৯ রান করেন। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৮০ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন কাইস। তবে এই দুজনকেই সহজে আউট করার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে তা ফিল্ডারদের ভুলে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষদিকে কাইস ক্র্যাম্পের ভান করে বেশ কিছু সময় নষ্ট করেন। অনেকেই মনে করেন প্রধান কোচ রিচার্ড পাইবাসের পরামর্শ এমন করেছিলেন তিনি।
যদিও সংবাদ সম্মেলনে এমন পরামর্শ দেয়ার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন। উল্টো পাইবাস জানিয়েছেন, তিনি কাইসকে ধৈর্য ধরে উইকেটে টিকে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে কাইস নিজেকে বেন স্টোকস রূপে হাজির করেছিলেন বলেও দাবি আফগানিস্তান দলের এই প্রধান কোচের।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাইবাস বলেন, 'কাইস আহমেদকে আমি উইকেট আঁকড়ে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছিলাম, কিন্তু সে আমার কথার বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা করেনি! মনে হচ্ছিল সে বেন স্টোকসের রূপ ধরে অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছে! তবে শেষ দিকে কাইস একটা ক্যামিও ইনিংস খেলেছে এবং পুরো দলের মতো সেও শেষ পর্যন্ত অসাধারণ লড়াই চালিয়ে গেছে।'
প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করলেও সঙ্গী হিসেবে কাউকে পাশে পাননি রহমত শাহ। দ্বিতীয় ইনিংসে দীর্ঘ সময় আফগানিস্তানের ইনিংস টেনেছেন সেদিকউল্লাহ। পাইবাস মনে করেন আফগানিস্তানের এই দারুণ ব্যাটিংয়ে কৃতিত্ব আছে ব্যাটিং কোচ টবি রেডফোর্ডেরও। তিনি ব্যাটারদের নিয়ে দারুণ কাজ করছেন।
পাইবাস বলেন, 'এর পুরো কৃতিত্ব সেদিকউল্লাহ অতলের নিজের। তবে আমাদের ব্যাটিং কোচ টবি রেডফোর্ডের অবদানও কম নয়। আমরা এই ম্যাচে বড় সেঞ্চুরির লক্ষ্য নিয়ে নেমেছিলাম। তিনি খুব কৌশলী একজন কোচ, যিনি ব্যাটারদের নিজস্ব খেলায় ব্যাঘাত না ঘটিয়ে সঠিক তথ্যটুকু পৌঁছে দেন। তাই এর কৃতিত্ব আমি একা নেব না, পুরো কৃতিত্ব অতল ও টবির।'