ফারজানা হক, শারমিন সুলতানা ও শারমিন আক্তার দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়েন জ্যোতি ও সোবহানা। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ১৩৯ বলে ১১০ রান যোগ করেন তারা। এরপর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে তাদের জুটি। দুজনের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
৬৬ বলে ৯টি চারে অর্ধশতক পূর্ণ করেন সোবহানা। পরে ৯৭ বলে পাঁচটি চারে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন জ্যোতিও। দুজনের ব্যাটিংয়ে চতুর্থ উইকেটের জুটি ২০৮ বলে দেড়শ রান পেরিয়ে যায়। একের পর এক দারুণ শটে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের চাপে ফেলেন তারা।
সোবহানা ১৩৪ বলে ১৮ চারের সাহায্যে ১১৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। ৪৮তম ওভারের পঞ্চম বলে মেগান শুটের শিকার হয়ে থামে তার ইনিংস। মাত্র পাঁচ রানের জন্য ভাঙে ২০০ রানের জুটির স্বপ্ন। তবে নিগারের সঙ্গে তার ১৯৫ রানের জুটি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নারী ওয়ানডেতে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসেও এটি যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি।
শেষ ওভারে পরপর দুই উইকেট হারালেও নিগার ১১৪ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে এগিয়ে নেন। তার ও সোবহানার ব্যাটে ভর করে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নারী ওয়ানডেতে নিজেদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে যেন পাত্তাই দেয়নি অস্ট্রেলিয়া। ওপেনিং জুটিতেই দলটি তোলে ১৬২ রান। ৫১ বলে ৭০ রান করে বিদায় নেন ফোবি লিচফিল্ড। স্বর্ণা আক্তারের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে হাবিবা ইসলামকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।
এরপর আর বেগ পেতে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে। ৯৭ বলে ১৯টি চারে অপরাজিত ১৩১ রান করেন জর্জিয়া ভোল। ২২ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন এলিস পেরি। এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি এক ম্যাচ বাকি থাকতেই জিতে গেল অজিরা।