নির্বাচকরা তাকে বিশ্বকাপের পরিকল্পনাতে রেখেছেন। আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে। আসন্ন এই বিশ্বকাপে স্পিনারের খুব একটা ভূমিকা না থাকলেও সেখানে মিস্ট্রি স্পিনাররা ভালো করতে পারেন বলে মনে করেন বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার। এ কারণেই আলিসকে দলে নিয়েছেন তারা।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আলিসকে নিয়ে বাশার বলেন, 'আমাদের আগে আসলে মিস্ট্রি বোলিং অপশন খুব একটা ছিল না। আমরা সব সময় কনভেনশনাল বোলিং নিয়েই যাই। আমাদের যেটা আছে, সেটা দিয়েই আমরা সফল। আমরা বলছি না যে প্রতিদিনই আমরা সফল, তবে কখনো কখনো ভিন্ন ধরনের বোলার সাহায্য করে। যেহেতু এরপর আমরা সাউথ আফ্রিকায় খেলব, সেখানে হয়তো স্পিনারদের জন্য অতটা সাহায্য থাকবে না। সে ক্ষেত্রে মিস্ট্রি বোলার হলে হয়তো বেশি সাফল্য পাওয়া সম্ভব।'
আলিস সর্বশেষ বাংলাদেশ 'এ' দলের হয়ে সাউথ আফ্রিকায় খেলেছেন। সেই সিরিজে একটি ম্যাচে খেলে ৩টি উইকেট শিকার করেছিলেন এই স্পিনার। তাতেই নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন তিনি। এর আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ১০ ম্যাচে ২৪ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। আলিসের পারফরম্যান্স নিয়ে বাশার বলেছেন, 'আলিস ইসলামও এ দলটিতে ভালো পারফর্ম করেছেন। সেটা থেকেই আসলে আমরা তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। আশা করছি, তিনি ভবিষ্যতে আমাদের বোলিং আক্রমণে বাড়তি কিছু যোগ করবেন।'
বিসিবির রাডারে আছেন আরেক মিস্ট্রি স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল। তিনিও সম্প্রতি ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরেছেন। পাশাপাশি টপ এন্ড সিরিজে নর্দান টেরিটরির বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি। বাশার আশাবাদী রুবেলও পর্যাপ্ত সুযোগ পাবেন। এদিকে আলিসের বোলিং নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকলেও তার ফিল্ডিং নিয়ে নির্বাচকদের কাছে কিছুটা উদ্বেগ ছিল। আলিস নিজেকে সেই জায়গাতেও প্রমাণ করেছেন। এখন আলিস জাতীয় দলের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে মনে করেন বাশার।
প্রধান নির্বাচক যোগ করেন, 'আলিস ইসলাম অনেক আগে থেকেই আমাদের নজরে আছেন, প্যানেলের মধ্যেও আছেন। তার ফিল্ডিং নিয়ে আমার একটা উদ্বেগ ছিল। তাকে সেটা বলা হয়েছিল। তিনি এখন ফিল্ডিংয়ে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন। তাই আমার মনে হয়, তিনি প্রস্তুত। আমরা রুবেলকেও মাথায় রেখেছি। ভবিষ্যতে হয়তো তাকেও কোনো না কোনো জায়গায় দেখব। আমাদের দলে এ ধরনের বিকল্প থাকলে বাড়তি সুবিধা তৈরি হয়। সেই চিন্তা থেকেই তাকে নেয়া।'