৮ ছক্কায় মাহমুদউল্লাহর ৩৫ বলে ৭৩* , তবুও হারল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ইমরুল কায়েস আশা দেখালেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি বাকিরা। মাঝের ওভারগুলোতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। হাফ সেঞ্চুরির আগে ফেরেন ইমরুল নিজেও। শেষের দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৫ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি বাংলাদেশের অধিনায়ক। অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন্সের কাছে হারতে হয়েছে ৩৭ রানে।

শারজাহ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১২ রান আসার পর নাথান কুল্টার-নাইলের বিপক্ষে চড়াও হন ইমরুল। প্রথম তিন বলে দুইটি ছক্কা ও একটি চার মারেন তিনি। তবে পরের বলে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফেরেন রনি তালুকদার। ৬ বলে ৯ রান করেছেন ডানহাতি এই ওপেনার।

পাওয়ার প্লের বাকিটা সময় কাটিয়ে দেন ইমরুল ও ফজলে মাহমুদ রাব্বি। দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় হাফ সেঞ্চুরির আগেই আউট হয়েছেন ইমরুল। সীমানায় ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৩০ বলে ৪১ রান করে। তিনটি করে ছক্কা ও চার মেরেছেন ইমরুল। পরের ওভারে আউট হয়েছেন ফজলে রাব্বিও। ডি আর্কি শর্টের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন ২০ বলে ২৭ রান করা বাঁহাতি এই ব্যাটার।

ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি নাসির হোসেন ও জহুরুল ইসলাম অমি। দুজনই আউট হয়েছেন দ্রুতই। কয়েক ওভারের মধ্যে চারটি উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ ও জিয়াউর। যদিও জিয়াউর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৩ বলে ৪ রান করে আউট হয়েছেন।

বাকিদের ব্যর্থতার মাঝেও ঝড়ো ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ। ২৬ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। তবে বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ডানহাতি ব্যাটার অপরাজিত ছিলেন রানে। ২ চারের সঙ্গে ৮টি ছক্কাও মেরেছেন তিনি। ২০ ওভারে বাংলাদেশ থেমেছে ১৬৬ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ফাওয়াদ আহমেদ দুইটি উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে টস জিতে ৬ উইকেটে ২০৩ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ বলে ৬৬ রানের ইনিংস খেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। সাতটি চারের সঙ্গে চারটি ছক্কাও মেরেছেন তিনি। এ ছাড়া কলাম ফার্গুসন ৩৬ বলে ৬৩ ও বেন ডাঙ্ক ২৪ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে আবু জায়েদ রাহি তিনটি ও জিয়াউর দুইটি উইকেট নিয়েছেন।

আরো পড়ুন: