আগামী ২১ নভেম্বর দিলজিৎ দেসাঞ্জের কনসার্টকে ঘিরে এই মেইলটি পাঠানো হয়েছিল। ই-মেইলটি পাঠানো হয়েছে খালিস্তান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে সংযুক্ত একজন। একই সঙ্গে জওহোরলাল নেহরু স্টেডিয়ামেও বোমা হামলার হুমকি দেয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে হুমকি দেয়া হয়েছিল আহমেদাবাদ হাইকোর্ট ও শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার।
সব জায়গায় নিরাপত্তা তল্লাশি চালানো হয়েছে। হুমকির মেইল পাওয়ার সময় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের গ্রাউন্ড 'এ'তে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ও অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব- দলের একটি যুব টেস্ট চলছিল। তবে নিরাপত্তা তৎপরতার কারণে ম্যাচে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল তারা ই-মেইল পাওয়ার পরই স্থানীয় পুলিশকে জানানো হয়েছিল।
গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সচিব অনিল প্যাটেল এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে দাবি করে বলেন, ‘ই-মেইল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা স্থানীয় পুলিশকে জানিয়েছি। এর আগেও দু-একবার এমন হয়েছে, ২০২৩ বিশ্বকাপ ও আইপিএলের সময়ও এমন ঘটনা ঘটেছিল।’
পুলিশ ই-মেইলটিকে ভুয়া বলে দাবি করেছে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে এই বিষয়ে তদন্ত চলছে। কে মেইল পাঠিয়েছে তা বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।সাইবার সেলের স্টেডিয়াম পরিদর্শনকে তদন্তের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ই-মেইলে খালিস্তান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার যে দাবি করা হয়েছে, সেটিও তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করছেন কর্মকর্তারা।
এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি। ই-মেইলগুলো কোথা থেকে পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়েও পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। এ ঘটনায় পরবর্তী কোনো পদক্ষেপের বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে বিস্তারিত জানায়নি কর্তৃপক্ষ।