প্রথম ইনিংসে ১৮০ রানের লিড পেয়েছিল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ১৭৭ রান যোগ হওয়ায় মোট লিডের পরিমাণ ৩৫৮ রান। স্বাগতিকদের হয়ে ড্যান লরেন্স ৬৬ বলে ৫০ রানে অপরাজিত আছেন। তার ইনিংসে রয়েছে ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা।
দিনের প্রথম সেশনে বৃষ্টির কারণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। আগের দিনের ৩ উইকেটে ৮১ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিংয়ে নামে ইংল্যান্ড। পেস বোলিংয়ের জন্য সহায়ক উইকেটে শুরু থেকেই পাকিস্তানি বোলাররা চাপ তৈরি করেন। দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মাদ আব্বাসের দারুণ এক ডেলিভারিতে ৩১ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন এমিলিও গে।
এর কিছুক্ষণ পর আবারও প্রায় ১৫ মিনিটের জন্য খেলা বন্ধ থাকে। মাঠে ফেরার পর লরেন্স ও হ্যারি ব্রুক মিলে ইংল্যান্ডের রান একশ পার করেন। তবে ৫৬ বলে ৩৪ রান করা ব্রুককে ফিরিয়ে দেন আব্বাস। উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মোহাম্মাদ রিজওয়ান।
পরের ওভারে মোহাম্মাদ আলিকে পরপর চার ও ছক্কা মেরে পাল্টা আক্রমণের বার্তা দেন লরেন্স। তবে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক জেমি স্মিথ এবার দুই অঙ্কেও যেতে পারেননি। চা-বিরতির পর তৃতীয় বলেই ৭ রানে গাস অ্যাটকিনসনের শিকার হন তিনি।
এরপরও পাকিস্তানের বোলারদের ওপর চড়াও ছিলেন লরেন্স। বাঁহাতি স্পিনার আলি উসমানের এক ওভারে চার ও ছক্কা মেরে ফিফটির কাছাকাছি পৌঁছে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন এই ব্যাটার। এরপর একই ওভারে আবারও বৃষ্টি নামে, ফলে খেলা বন্ধ হয়ে যায় এবং আর মাঠে ফেরা সম্ভব হয়নি।
পাকিস্তানের জন্য তাই শেষ ইনিংসের লড়াইটা কঠিনই হতে যাচ্ছে। এই সিরিজে এখন পর্যন্ত তাদের তিন ইনিংসের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১৭১ রান; পরের দুটি ইনিংসে তারা করেছে ১৩৫ ও ১১০ রান।