বিসিবিও জানিয়েছে এমনটাই। বৃহস্পতিবার বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কারণেই সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখা হয়। তবে বিসিবি স্থায়ীভাবে এই নাম বদল করেনি বিসিবি। এমনকি কোনো স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে বোর্ড কোনো সিদ্ধান্তই নেয়নি।
বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, 'বিসিবি স্পষ্টভাবে জানাতে চায়, ‘শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’ কিংবা শের ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম ও দেশের অন্যান্য আন্তর্জাতিক ভেন্যুর কোনো স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে বোর্ড কোনো সিদ্ধান্তই নেয়নি। উল্লেখ্য, বিসিবি আয়োজিত আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটের সব ম্যাচে স্ট্যান্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক নাম স্পষ্টভাবে প্রদর্শন ও উল্লেখ করা হয়।'
চলতি বছর বর্তমান বোর্ড দায়িত্ব নেয়ার পর তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজন করা হয়েছে মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে। প্রতিটি সিরিজেই শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’সহ সব স্ট্যান্ডের নাম প্রদর্শন করা হয়েছিল নিয়মিত। এমনকি টিকিট থেকে শুরু করে বিভিন্ন মাধ্যমে এই নাম প্রদর্শন করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে বিসিবি।
এ প্রসঙ্গে তারা জানায়, 'চলতি বছরের শুরুতে বর্তমান বোর্ড দায়িত্ব নেওয়ার পর এসবিএনসিএসে তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব ম্যাচে ‘শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড’সহ সব স্ট্যান্ডের নাম মাঠে উপস্থিত দর্শকদের পাশাপাশি টেলিভিশন সম্প্রচারে অনুসরণ করা দর্শকদের কাছেও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। ম্যাচের টিকিট (ছবি সংযুক্ত) ও সিরিজের প্রচারসামগ্রীতেও স্ট্যান্ডগুলোর নাম উল্লেখ ছিল।'
বিসিবি আরও যোগ করেছে, 'জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিসিবি তাঁর নামে একটি স্ট্যান্ডের নামকরণ করেছে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি বা জল্পনার কোনো সুযোগ নেই। বিসিবি মনে করে, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টার অংশ। এর উদ্দেশ্য বিসিবি ও বর্তমান বোর্ডের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করা।'