গত মার্চে মাঠটিকে ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করা হয়। সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে হাইব্রিড পিচ, যাতে মূলত প্রাকৃতিক ঘাসের সঙ্গে অল্প পরিমাণ পলিথিন তন্তু রয়েছে। পিচটি নতুন হওয়ায় এর আচরণ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছে না দলগুলো। গত মে মাসে সেখানে প্রথমবার ক্রিকেট খেলা হয়।
সেপ্টেম্বরে জাপানে ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম থাকায় আবহাওয়াও ম্যাচের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। মাঠের ভেতরের পরিস্থিতির সঙ্গে যোগ হয়েছে ড্রেসিংরুমের সমস্যাও। মাঠটির দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় দুই হাজার।
পুরোনো বেসবল কাঠামোর কিছু অংশ এখনো রয়েছে, এমনকি পিচারের ঢিবিও সরানো হয়নি। ড্রেসিংরুমের ব্যবস্থাও সন্তোষজনক নয় বলে জানা গেছে। এসব বিষয় নিয়ে প্রথমে উদ্বেগ জানায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
দুই সপ্তাহ আগে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি ওঠার পর ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের প্রতিনিধিরা আলোচনা করেন। পরে ভেন্যু ও খেলোয়াড়দের থাকার জায়গা সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
উদ্বেগ শুধু মাঠেই সীমাবদ্ধ নেই। এবার এশিয়ান গেমসে প্রচলিত কোনো অ্যাথলেটস ভিলেজ থাকছে না। প্রায় ১৫ হাজার অংশগ্রহণকারীকে বিভিন্ন আবাসনে রাখা হবে। ক্রিকেটারদের জন্য নির্ধারিত কিছু হোটেলকক্ষ এতটাই ছোট যে দুজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে তাদের কিটব্যাগ ও লাগেজ রাখাও কঠিন বলে জানা গেছে।
এশিয়ান অলিম্পিক কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা সমস্যাটির কথা স্বীকার করে বলেন, 'এটি সত্যিই একটি সমস্যা। কারণ, ঘরগুলো খুবই ছোট। একজন খেলোয়াড় যদি তার কিটব্যাগ খোলেন, তাহলে দাঁড়ানোর মতো খুব বেশি জায়গা আর অবশিষ্ট থাকবে না। আমরা এই সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা করছি।'
এশিয়ান গেমসে ছেলেদের ক্রিকেট হবে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা সরাসরি নকআউট পর্বে খেলবে। অন্যদিকে মেয়েদের ক্রিকেট চলবে ১৭-২২ সেপ্টেম্বর; কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব দিয়ে শুরু হবে মেয়েদের ক্রিকেট ইভেন্টের খেলা। কোয়ার্টার ফাইনালে ভারত খেলবে জাপানের বিপক্ষে, বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে চীনের।