কারানের জন্য এটি বড় ধাক্কা। ২০১৮ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তার। এরপর ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন ২৪টি টেস্ট। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০২১ সালে। সাদা বলের ক্রিকেটে বেশি মনোযোগ দেওয়ায় দীর্ঘদিন টেস্ট ক্রিকেটের আলোচনার বাইরে ছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি সীমিত ওভারের দলে ফিরেছিলেন তিনি।
স্টোকসের বিদায়ের পর ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্টও কারানকে লাল বলের দলে ফেরাতে আগ্রহী ছিল। নির্বাচক মার্কাস নর্থ জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলেও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়েছিল কারানকে। তবে টানা ব্যস্ত সূচির মধ্যে দিয়ে যাওয়া কারানকে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে রাখতে পারেননি নির্বচকরা।
যদিও ৯ সেপ্টেম্বর এজবাস্টনে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের জন্য তাকে দলে রাখার পরিকল্পনা ছিল নির্বাচকদের। ওই ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে নটিংহ্যামশায়ারের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সারির হয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার কথা ছিল কারানের। কিন্তু চোটের কারণে শুধু ওই ম্যাচই নয়, মৌসুমের বাকি সময় সারির হয়েও খেলতে পারবেন না তিনি।
একই সময়ে উইল জ্যাকসও সারের হয়ে খেলতে পারবেন না। অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে তার। পাকিস্তান সিরিজের জন্য জ্যাকসও বিবেচনায় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তার জায়গায় দলে সুযোগ পান ড্যান লরেন্স। স্টোকসকে ছাড়া দল সাজাতে চার পেসারের সঙ্গে ছয়ে ব্যাট করা স্পিনিং অলরাউন্ডারের ভূমিকা পালন করছেন লরেন্স।