যদিও ইমরুল সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। তিনি তামিমকে জানিয়েছিলেন যেহেতু তিনি অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন তাই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করা সম্ভব হবে না। তারপর তাকে বেছে নেয়া হয় এইপির জন্য। বিশেষ করে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ও জাতীয় দলের রাডারে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গেই কাজ করবেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ইমরুল ক্রিকফ্রেঞ্জিকে বলেন, 'আমাকে মূলত তামিম (ইকবাল) অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পূর্ণকালীন কোচ হিসেবে থাকার জন্য বলেছিল। কিন্তু দেশের বাইরে সফর থাকবে, দুই বছর মেয়াদী যেহেতু। আমার জন্য খুব কঠিন হতো বিষয়টা। যেহেতু আমি মাত্রই অস্ট্রেলিয়াতে থিতু হয়েছি। এজন্য আমি বলেছিলাম, আমার পক্ষে আপাতত কঠিন হয়ে যাবে। এইচপিতে হলে হয়তো চিন্তা করতে পারবো।'
বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নির্ভরযোগ্য ওপেনার হিসেবে লম্বা সময় সার্ভিস দিয়েছেন ইমরুল। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসরে সিলেট টাইটান্সের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতাই এবার কাজে লাগাতে চাইবেন বিসিবির এইচপি দলে। আপাতত খন্ডকালীন কোচ হিসেবে যোগ দলেও ভবিষ্যতে নিয়মিত কোচ হিসেবেও দেখাতে যেতে পারে তাকে।
এ প্রসঙ্গে ইমরুল বলেন, 'তামিম আমাকে বললো, "তুই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাথে থাক। তোকে কাজ করতে হবে। তোর অভিজ্ঞতা......দেশের ক্রিকেটে তোরে লাগবে। তুই এইচপি টিমের সাথে কাজ কর। এখানে খন্ডকালীন চুক্তিতে তুই আয়।'
ইমরুল আরও যোগ করেন, 'বছর দুই/তিনেক পরে আমার জন্য পূর্ণকালীন কাজ করা সহজ হবে আশা করি। এর মধ্যে লেভেল থ্রী কোচিং কমপ্লিট করার ইচ্ছা আছে। বিগ ব্যাশ বা অন্য কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিতে কাজ করে যদি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারি তাহলে আমার জন্য আরো ভালো হবে।'