১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১.৩ ওভারেই ম্যাচটি জিতে যায় মোহামেডান। ১৬ বলে ২২ রান করা এনামুল হক বিজয়কে ফেরান সন্দীপ রয় চৌধুরী। তার বলে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বিজয়।
এরপর আর কোনো উইকেটই হারায়নি মোহামেডান। ২৯ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন নাইম শেখ। মাত্র ২৪ বলে ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও চারটি ছক্কার মার।
এর আগে সাইফউদ্দিন-মুশফিকের তোপে দাঁড়াতেই পারেনি অগ্রণী ব্যাংক। ২৪ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৫৪ রানের মধ্যে আরো তিনটি উইকেট হারায় অগ্রণী। এরপর ১১৫ রানে পঞ্চম উইকেট হারানো দলটি অল আউট হয় ১৩৩ রানে।
দলটির হয়ে ৭০ বলে ৪৪ রান করেন জাহিদ জাভেদ। ৪১ বলে ২৫ রান আসে নাসির হোসেন। মোহামেডানের হয়ে ১৮ রান খরচায় চার উইকেট নেন সাইফউদ্দিন। মুশফিকও চার উইকেট নেন, খরচা করেন ৩৭ রান। দুটি উইকেট নেন তানভীর ইসলাম।
দিনের আরেক ম্যাচে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে ৩৬ রানে হারিয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। আগে ব্যাটিং করে ৪৮.১ ওভারে ২১৯ রান করে গাজী। ৬৫ বলে ৪৭ রান করেন ইমন আলী। সাব্বির হোসেন শিকদার করেন ৭৬ বলে ৪২ রান। এ ছাড়া ৩৮ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন সালমান হোসেন ইমন।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানভির, রাফিউজ্জামানদের বোলিংয়ের সামনে টিকতে পারেননি গুলশান। ৪৪.৩ ওভারে ১৮৩ রানে অল আউট হয় দলটি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮১ রান আসে শাহরিয়ার সাকিব। গাজীর হয়ে তিনটি উইকেট নেন আরিদুল ইসলাম আকাশ। দুটি করে উইকেট নেন লিওন ইসলাম, আজিজুল হাকিম রনি ও তাফসির আরাফাত।