পাকিস্তানের সামনে পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টে জিততে হলে ৪৩৭ রান করতে হবে সফরকারীদের। তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে দু’ওভার ব্যাটিং করলেও কোনো রান করেনি। চতুর্থ দিন সকালে পাকিস্তানের শুরুটা হয়েছে একদম নতুনভাবে, শুরু থেকে। পুরো টেস্ট জুড়ে ব্যাটিংয়ে খাবি খেয়েছেন শান মাসুদরা। তবে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংয়ে এসে জ্বলে উঠেছেন তারা।
বাবর আজম রান না পেলেও হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন অধিনায়ক শান মাসুদ, সালমান আলী আঘা ও রিজওয়ান। তাদের এমন ব্যাটিংয়ে দারুণভাবে ঘুরেও দাঁড়িয়েছে তারা। নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ কিংবা তাইজুল ইসলামদের জবাব দিতে পারায় বেশ খুশি আসাদ শফিক। পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ জানালেন, এই জিনিসগুলোই তারা মিস করছিলেন।
এ প্রসঙ্গে আসাদ শফিক বলেন, ‘হ্যাঁ, ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমাদের জন্য দারুণ একটা কামব্যাক। কারণ প্রথম ম্যাচে এবং এই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে আমরা এমন জুটি গড়তে পারিনি। এমন জুটি দেখে ভালো লাগছে। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা এই জিনিসগুলো মিস করছিলাম। তবে এখন এটা হচ্ছে দেখে ভালো লাগছে।’
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান তুলেছে পাকিস্তান। সিলেট টেস্টে জিততে হলে এখনো ১২১ রান করতে হবে সফরকারীদের। হাতে আছে মাত্র তিনটি উইকেট। একমাত্র বিশেষজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে উইকেটে আছেন হাফ সেঞ্চুরিয়ান রিজওয়ান। টেস্টে ৪৩৭ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই। জিততে হলে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হবে তাদের।
জেতার আশা নিয়ে আসাদ শফিক বলেন, ‘অবশ্যই, (জেতার) আশা আছে। আপনি যদি আমাদের ব্যাটিং ইউনিটের পারফরম্যান্স দেখেন, আমরা সত্যিই আশাবাদী। ১২০ (১২১) রানের মতো বাকি আছে। রিজওয়ান যেভাবে ব্যাটিং করছে এবং সাজিদ যেভাবে প্রথম ইনিংসে খেলেছে তাতে আমরা আশাবাদী।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘দেখুন, আমি তো অনেক আশাবাদী। কারণ ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা যেভাবে জবাব দিয়েছি... আমাদের গত তিনটি ইনিংস খুব একটা ভালো যায়নি। কিন্তু আমরা সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে যেভাবে ব্যাটিং করেছি, দুই-তিন জন ব্যাটার যেভাবে খেলেছে তাতে আমি খুবই আশাবাদী। প্রথম ইনিংসে সাজিদকে দেখেছেন ও যেভাবে ব্যাটিং করেছে, এই জুটি যদি জমে যায় এবং বড় হয় তাহলে আমি আশাবাদী।’