দুই ধরনের উইকেটের প্রস্তুতি নিয়েই বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বাজবলের মতো কিছু না হলেও টেস্টে খেলার ধরন পরিবর্ত করতে চায় বাংলাদেশ দল—দুদিন আগে এমনটাই জানিয়েছেন হাবিবুল বাশার সুমন। তবে পাকিস্তান সিরিজে মিরপুর ও সিলেটের উইকেট কেমন হবে সেটার কোনো ধারণা দেননি প্রধান নির্বাচক। দুই টেস্টের সিরিজে স্পিন নাকি পেস বান্ধব উইকেট হবে সেটা নিয়ে ধারণা নেই পাকিস্তানেরও। এজন্য দুই ধরনের উইকেটের প্রস্তুতি নিয়েই বাংলাদেশ সফরে আসছেন শান মাসুদ-বাবর আজমরা।

দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে ৩ মে বাংলাদেশে পা রাখবে পাকিস্তান। আগামী ৮ মে থেকে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। পরের ম্যাচটি হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৬ মে থেকে। প্রথাগতভাবে মিরপুরের উইকেট খানিকটা স্পিন বান্ধব। বেশিরভাগ সময়ই স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন। কারও কারও চোখে মিরপুরে স্পিনারদের জন্য স্বর্গ এবং ব্যাটারদের জন্য মৃত্যুকূপ।

যদিও আয়ারল্যান্ড কিংবা আফগানিস্তানের মতো দলগুলোর সঙ্গে একটুখানি ঘাসের উইকেট বানিয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথম দুদিন পেসাররা সুবিধা পেলেও বাকি সময়টা ব্যাটাররা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাটিং করেছেন। সিলেটেও স্পিন উইকেটের সঙ্গে পেসারদের জন্য বাড়তি সুবিধা আছে এমন উইকেট বানানো সম্ভব। তবে বাংলাদেশ কোন উইকেট বেছে নেবে সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেসারদের পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বাসিত হয়ে পেস বান্ধব কিংবা ব্যাটিং উইকেট বানাতে পারে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাওয়ালপিন্ডির পেস উইকেটে বাবর-মোহাম্মদ রিজওয়ানদের গুড়িয়ে দিয়েছিলেন নাহিদ রানা, হাসান মাহমুদরা। বাংলাদেশ সফরের আগে ২৭ এপ্রিল থেকে করাচির হানিফ মোহাম্মদ হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে ক্যাম্প করছে পাকিস্তান।

সরফরাজ আহমেদ জানিয়েছেন, তারা দুই ধরনের উইকেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। করাচিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পাকিস্তানের টেস্ট দলের প্রধান কোচ বলেন, ‘বাংলাদেশের কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখেই আমরা করাচিতে ক্যাম্পের আয়োজন করেছি। এখানকার সঙ্গে বাংলাদেশের আবহাওয়ার অনেক মিল আছে। আমাদের খুবই ভালো প্রস্তুতি হচ্ছে।’

‘বাংলাদেশে কী ধরনের উইকেট হবে সেটা ভাবনায় রেখেই আমরা ক্রিকেটারদের প্রস্তুত করছি। পেস বলুন কিংবা স্পিন- দুই ধরনের উইকেটের জন্যই আমরা প্রস্তুত আছি। আমরা এখানে দুইটা সেশনে ভাগ করে অনুশীলন করছি। একটা সেশনে নেটে ব্যাটিং কিংবা বোলিং করছে আরেকটা সেশনে ফিল্ডিং অনুশীলন চলছে।’

কদিন আগেই বাংলাদেশ সফরের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন আব্দুল্লাহ ফজল, আজান আওয়াইস, আমাদ বাট ও মুহাম্মাদ গাজি ঘোরি। সবশেষ সিরিজ থেকে বাদ পড়েছেন কামরান গুলাম, আব্দুল্লাহ শফিক, রোহাইল নাজির, আবরার আহমেদ, ফয়সাল আকরাম, আসিফ আফ্রিদি ও আমির জামাল।

আরো পড়ুন: