বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের পরিবর্তিত সময় জানাল বিসিবি

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে— একদিন আগেই এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। বিসিবির এডহক কমিটির সভাপতি জানানোর পরদিনই বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি সিরিজের সময় পরিবর্তন করেছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলতে চলতি এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড। আগামী ২৭ ও ২৯ এপ্রিল এবং ২ মে হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। পুরনো সূচি অনুযায়ী, টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো শুরু হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে। যার ফলে পুরো ম্যাচটি খেলতে হতো ফ্লাডলাইট জ্বালিয়ে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েলের ত্রিমূখী সংঘাতে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সংকট তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে এশিয়ার দেশগুলো। এমন পরিস্থিতিতে যাতে জ্বালানী সাশ্রয় করা যায় সেটার জন্য ম্যাচের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন সময় সূচিতে ৬টার পরিবর্তে টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো শুরু হবে দুপুর দুইটা থেকে। এক ঘণ্টা ২৫ মিনিটে শেষ করতে হবে প্রতি ইনিংসের খেলা। দুইটি ইনিংসের মধ্যে ২০ মিনিটের বিরতি হবে। বিসিবির নতুন সময় সূচিতে বিকেল ৫ টা ১০ মিনিটের মধ্যে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষ হবে।

টি-টোয়েন্টির মতো ওয়ানডে ম্যাচের সময়ও পরিবর্তন এসেছে। ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল হতে যাওয়া ওয়ানডে ম্যাচগুলো শুরু হবে সকাল ১১ টা থেকে। শেষ হতে পারে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায়। দুই ইনিংসের মধ্যে বিরতি থাকবে ৩০ মিনিট। ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। সময় পরিবর্তনের বিষয়টি আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন বিসিবির এডহক কমিটির সভাপতি।

এ প্রসঙ্গে তামিম বলেছিলেন, ‌‌‌‘আপনারা জানেন আমাদের বাংলাদেশ সরকার উৎসাহ দিচ্ছে যে, আমরা যতটুকু সম্ভব ইলেকট্রিসিটি যেন সেভ করতে পারি, সবাই মিলে অ্যাজ আ নেশন, যতটুকু সহায়তা করতে পারি। এগুলো মাথায় রেখে আমরা নিউ জিল্যান্ডের ম্যাচের সময় পরিবর্তন করছি। আমরা যতটুকু পারব, চেষ্টা করব যতটা কত সম্ভব কৃত্রিম আলোয় খেলার।’

‘সুনির্দিষ্ট সময়টা এখনই বলছি না, তবে একটা ধারণা দিতে পারি। যেরকম ওয়ানডে ম্যাচগুলো হয়তো ১১টা বা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হতে পারে। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়তো ২টা বা আড়াইটা থেকে হতে পারে। কারণ বিদ্যুৎ নিয়ে যখন সরকার সবাইকে বলছে এটা করতে, ক্রিকেট বোর্ড, ক্রিকেটার এবং আমাদের সবার উচিত নিজেদের ভূমিকা রাখা। যদি (কৃত্রিম) আলো ব্যবহার করতেও হয়, যত মিনিমাম কম ব্যবহার করা যায়, যাতে বিদ্যুৎ বাঁচাতে পারি আমরা।’

আরো পড়ুন: