সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় আফ্রিদি জানান, নির্বাচকরা এখনো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে পারছেন না কোন ফরম্যাটে কাকে অধিনায়ক করা উচিত। তার মতে, সাম্প্রতিক ব্যর্থতার বড় দায় নির্বাচক কমিটির কাঁধেই বর্তায়। নিজের জামারা শাহীন শাহ আফ্রিদি ওয়ানডে দলের নেতৃত্বভার পাওয়ায়ও খুশি নন শহীদ আফ্রিদি।
আফ্রিদি বলেন, 'আপনারা ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স দেখেছেন। এরপর আমরা বাংলাদেশের বিপক্ষেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছি। আমার মতে নির্বাচক কমিটিকে অবশ্যই সমালোচনার মুখে পড়তে হবে। আপনারা সবাই অনেক ক্রিকেট খেলেছেন, তবু কোন ফরম্যাটে কে অধিনায়ক হওয়া উচিত তা যেন বুঝতে পারছেন না।'
পাকিস্তানের সাবেক এই অলরাউন্ডারের অভিযোগ, দলের পুনর্গঠনের নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তার মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকা তরুণদের দ্রুত আন্তর্জাতিক দলে তুলে আনা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দলের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।
তিনি বলেন, 'সার্জারির নামে অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। এমন সব তরুণ খেলোয়াড়কে দলে নেয়া হচ্ছে যারা মাত্র কয়েকটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছে। আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের মানও এতটা ভালো নয় যে সেখান থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত খেলোয়াড় পাওয়া যাবে।'
অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের অবমূল্যায়নের বিষয়টিও তুলে ধরেন আফ্রিদি। তার মতে, পুনর্গঠনের অজুহাতে অনেক সিনিয়র খেলোয়াড়কে দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে, যদিও তারা ওয়ানডে ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স করছিলেন।
তার ভাষায়, 'বারবার নতুন খেলোয়াড়কে পাকিস্তানের ক্যাপ দেওয়া হচ্ছে। এটা কোনো সার্জারি নয়। যদি সত্যিই সার্জারি করতে হয়, তাহলে সেটা নির্বাচক কমিটির ওপরই করা উচিত।'
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে জয় পায়। শেষ ম্যাচে ১১ রানের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা। আগে ব্যাটিং করে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ করে ২৯০ রান। জবাবে সালমান আঘার সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান তোলে ২৭৯ রান।