জাপানের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে রান তাড়ায় ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ইমেশা দুলানির উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পাওয়ার প্লে শেষের আগে আউট হয়েছেন হাসিনি পেরেরাও। অন্যদের ব্যর্থতার মাঝে ভালো শুরু পেয়েছিলেন চামারি আতাপাত্তু। তবে তিনিও ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। দীপ্তির বলে আউট হওয়ার আগে ২৯ রান করেছেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক।
কদিন আগে শ্রীলঙ্কাকে এশিয়া কাপের ফাইনালে তোলা হার্শিতা সামারাবিক্রমাও সুবিধা করতে পারেননি। আউট হয়েছেন রানের খাতা খোলার আগেই। ৪৯ রানে ৬ উইকেট হারানো লঙ্কানরা শেষ পর্যন্ত অল আউট হয়েছেন ৬৯ রানে। আতাপাত্তুর বাইরে দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন কাভিশা দিলহারি ও কৌশানি। ভারতের হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন স্পিনার দীপ্তি। এ ছাড়া দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন শেফালি, শ্রীচারানি ও শ্রেয়াঙ্কা।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন শেফালি ও স্মৃতি। ইনিংসের শুরু থেকেই ঝড়ো ব্যাটিং করতে থাকেন ভারতের দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৬৭ রান তোলে ভারত। চার-ছক্কার বৃষ্টিতে মাত্র ৩০ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন স্মৃতি। তবে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি শেফালি। ডানহাতি ওপেনারকে ফেরান চামুদি প্রবোদা।
বাঁহাতি স্পিনারের বলে কাওয়া কাভিন্দিকে ক্যাচ দিয়েছেন ২৯ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলা শেফালি। সমান তিনটি করে ছক্কা ও চার মেরেছেন তিনি। শেফালির বিদায়ে ভাঙে স্মৃতির সঙ্গে ৯৯ রানের জুটি। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি হারমানপ্রীত। ১৭ বলে ১৯ রান করে আউট হয়েছেন কাভিশার বলে। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন স্মৃতি। তবে তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি বাঁহাতি ওপেনারের।
সুগান্ধিকা কুমারির বলে স্মৃতি আউট হয়েছেন ৪৫ বলে ৭৯ রানের ইনিংস খেলে। সাতটি ছক্কা ও পাঁচটি চার মেরেছেন স্মৃতি। শেষের দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন রিচা। ভারতের উইকেটকিপার ব্যাটার মাত্র ২২ বলে অপরাজিত ৪৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩ উইকেটে ২১৬ রানের পুঁজি পায় ভারত। শ্রীলঙ্কার হয়ে একটি করে উইকেট পেয়েছেন সুগান্ধিকা, কাভিশা ও চামুদি।