এনসিএলের নতুন মৌসুমের আগে ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রায় ৩৫০ ক্রিকেটার ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন। জাতীয় স্টেডিয়ামের ৪০০ মিটারের অ্যাথলেটিক ট্র্যাকে ৪ রাউন্ড করে মোট ১৬০০ মিটার দৌড়েছেন ক্রিকেটাররা। যেখানে ফিটনেস টেস্টে উতরে যাওয়ার জন্য ১ মাইল দৌড়াতে ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় বেঁধে দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ৪ রাউন্ড শেষ করতে পারেননি বরিশালের সোহাগ ও সিলেটের তুষার।
২৩ সেপ্টেম্বরও জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিটনেস টেস্টের কার্যক্রম চলবে। যারা পাস করতে পারেননি বা পারবেন না তাদের জন্য ১০ দিন বিরতি দিয়ে আবারও নেয়া হবে ফিটনেস টেস্ট। সেখানে না পারলে আরও ১০ দিন পর আবার টেস্ট দেয়ার সুযোগ থাকবে। বাকিদের বেশিরভাগই নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফিটনেস টেস্টে উতরে গেছেন। অ্যাথলেটিক ট্র্যাকে ১৬০০ মিটার রানিং করতে সাব্বির রহমান সময় নিয়েছেন ৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড। নুরুল হাসান সোহান সময় নিয়েছেন ৬ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড।
মাত্র ৬ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে ফিটনেস টেস্টে উতরে গেছেন নাইম শেখ। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা মোহাম্মদ মিঠুন ৬ মিনিট ৪৯ থেকে ৫৫ সেকেন্ডের মধ্যে শেষ করেছেন। ফলে এনসিএল খেলতে বাধা থাকছে না খুলনা বিভাগের অধিনায়কের। ফিটনেস টেস্টে সবচেয়ে বড় চমক দিয়েছেন রিপন মণ্ডল। সূত্র অনুযায়ী, মাত্র ৫ মিনিট ৪১ সেকেন্ডে ১৬০০ মিটার দৌড়েছেন ডানহাতি এই পেসার।
দেশের আরেক উঠতি পেস বোলার অনিক দেব বর্মনের রেজাল্টও ভালো। ফিটনেস টেস্টে তার লেগেছে ৫ মিনিট ৫২ সেকেন্ড। সবশেষ যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া আজিজুল হাকিম তামিমের লেগেছে ৬ মিনিটের কম। একই ব্যাচের জাওয়াদ-দেবাশীষ-অলিন-আব্দুল্লাহ-আলিফ কিংবা রাতুল সবাই টেস্ট শেষ করেছেন প্রত্যাশিত ফলাফল নিয়ে।