সবশেষ দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচের মাত্র একটিতে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ জেতার স্বপ্ন দেখছেন সাজ্জাদ আহমেদ ও সালমা খাতুন। ১৪ জুন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ শুরু হবে বাংলাদেশের। পরের ম্যাচগুলোতে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও সাউথ আফ্রিকা।
সাজ্জাদের বিশ্বাস, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের জেতা উচিত। নারী দলের প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘বিশ্বকাপে আমাদের পাঁচটি ম্যাচ আছে। এই পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে আমাদের আশা আছে, তিনটি ম্যাচে আমরা জিতব। আমাদের টার্গেট হলো নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও সাউথ আফ্রিকা। এই তিনটা ম্যাচ আমাদের জেতা উচিত বলে আমি মনে করি।’
প্রধান নির্বাচকের মতো আরেক নির্বাচক সালমাও মনে করেন, বাংলাদেশের তিনটা ম্যাচ জেতার সামর্থ্য আছে। তিনি বলেন, ‘আমি চাইব যেন তিনটা ম্যাচ আমরা ভালোভাবে জিততে পারি। মানে আমাদের ওই সামর্থ্য আছে। আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের মেয়েরা জিততে পারবে। আশা করি তিনটা ম্যাচ ইনশাআল্লাহ জিতবে।’
ইংল্যান্ডে ১২ জুন পর্দা উঠছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ইংলিশ কন্ডিশনে বরাবরই পেস সহায়ক হয়ে উঠে। অথচ বাংলাদেশের স্কোয়াডে পেসার আছেন মাত্র দুজন। তরুণ তারকা মারুফা আক্তারের সঙ্গে আছেন বাঁহাতি মিডিয়াম পেসার ফারিহা ইসলাম। তাদের দুজনের সঙ্গে আছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার রিতু মনি। স্কোয়াডে কম পেসার নেওয়ার কন্ডিশনের পরিবর্তন ও পেসার সংকটের কথা জানালেন সাজ্জাদ।
প্রধান নির্বাচন বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটে ভালো পেসারের পাইপলাইন বেশ সংকীর্ণ এবং অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তারা ইনজুরিতে পড়ে। যদিও ইংল্যান্ডের কন্ডিশন পেস সহায়ক হওয়ার কথা, তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে উইকেট অনেকটা উপমহাদেশের মতো আচরণ করছে, যেখানে বল স্পিন করে। তাই কন্ডিশন বিবেচনা করে এবং স্পিনারদের ওপর ভরসা রেখে দল সাজানো হয়েছে।’