নাজমুল হাসান পাপন ও ফারুক আহমেদ আশা দেখালেও নারী বিপিএল চালু করতে পারেনি। তবে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডে প্রথমবারের মতো আশার সঞ্চার হয় নারী ক্রিকেটারদের। রুবাবা দৌলার প্রচেষ্টায় প্রথমাবারের মতো নারী বিপিএল আয়োজনের ঘোষণা দেয় বিসিবি। আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী, চলতি বছরের ৪ এপ্রিল পর্দা ওঠার কথা ছিল দেশের প্রথম নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের।
মিরপুরে ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল ১৪ এপ্রিল। শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের সঙ্গে বিবেচনায় ছিল চট্টগ্রাম ও বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম। টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য দরপত্রও আহ্বান করে বিসিবি। জানা গেছে, মাত্র দুইটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নারী বিপিএলে দল নেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পরবর্তীতে ফ্র্যাঞ্চাইজি পেতে আরও সময় বাড়িয়ে দেয় বিসিবি। তবুও তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি খুঁজে পায়নি তারা।
পাশাপাশি টুর্নামেন্টের প্রতি দেখায়নি খুব বেশি বিজ্ঞাপণ সংস্থাও। এমন পরিস্থিতিতে এক প্রকার বাধ্য হয়ে নারী বিপিএল স্থগিত করতে হয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে। বিসিবি জানিয়েছে, সবার চাওয়ার ভিত্তিতে এপ্রিল থেকে জুলাইয়ে বিপিএল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মিরপুরের সঙ্গে বগুড়ায় হবে টুর্নামেন্টের প্রথম আসর।
১০ জুলাই বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে হবে বিপিএলের প্রথম ম্যাচ। পাশাপাশি একই স্টেডিয়ামে হবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। মিরপুরে ফাইনাল হবে ২১ জুলাই। টুর্নামেন্টের গভর্নিং কাউন্সিলের প্রধান রুবাবা দৌলা কদিন আগে নিশ্চিত করেছেন, ছেলেদের বিপিএলে নিলাম হলেও মেয়েদের বিপিএলে খেলোয়াড়দের কেনা হবে ড্রাফট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। তিনটি দলের জন্য তিনজন আইকন ক্রিকেটার থাকতে পারে।
এ ছাড়া ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ এবং ‘ডি’ ক্যাটাগরি থেকে ক্রিকেটারদের কিনে দল সাজাতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের। দেশি ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বিপিএলে দেখা যাবে বিদেশিদেরও। রুবাবা নিশ্চিত করেছেন, একাদশে অন্তত দুজন করে বিদেশি ক্রিকেটার রাখতে হবে। সর্বোচ্চ তিন থেকে চারজনও হতে পারে।