আগামী ২০২৭ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াতে হবে পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সাবধানী হতে হচ্ছে ভারতকে। একের পর এক চোটে গত কয়েক বছরে নিয়মিত খেলতে পারেননি ডানহাতি এই পেসার। টি-টোয়েন্টি সিরিজও খেলছেন বেছে বেছে।
টেস্টেও সব ম্যাচই খেলতে পারেননি। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে তো খেলছেনই না। নিউজিল্যান্ড সফরের ওয়ানডে দলেও রাখা হয়নি তাকে। তবে টেস্ট সিরিজে থাকবেন বুমরাহ। শাস্ত্রীও মনে করেন, বিশ্বকাপ ভাবনায় টেস্ট ক্রিকেটেই বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত বুমরাহর। চাইলে মাঝে মাঝে ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি খেলতে পারেন।
এ প্রসঙ্গে শাস্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয় না, বিশ্বকাপ পর্যন্ত সব সংস্করণে খেলা উচিত বুমরাহর। আপাতত তার মূল মনোযোগ হওয়া উচিত টেস্ট ক্রিকেট। এর ফাঁকে মাঝেমধ্যে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে পারে। নিউজিল্যান্ডে শুধু টেস্ট সিরিজেই খেলা উচিত তার, সেখানে সে হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
আইপিএলের সবশেষ আসরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। অভিজ্ঞ পেসার বেঙ্গালুরু শিরোপা জয়ে বড় অবদান রেখেছেন। পেসারদের পারফরম্যান্সের ঘাটতিতে ভুবনেশ্বরকে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ডাকা হয়েছে। খেলবেন নিউজিল্যান্ডে ওয়ানডে সিরিজেও। শাস্ত্রীর বিশ্বাস, ভুবনেশ্বর কিউই কন্ডিশনে বাজিমাত করবেন।
তিনি বলেন, ‘অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই। ভুবনেশ্বরের মতো মানসম্পন্ন ও অভিজ্ঞ একজন বোলার যখন আছে, তাকে দলে নেওয়ার কারণ বুঝতে সমস্যা হওয়ার কারণ নেই। আইপিএলে সে যেরকম ফর্ম দেখিয়েছে এবং ভারতের হয়ে যেভাবে পারফর্ম করেছে, নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে সে হবে আদর্শ।’
লম্বা সময় ধরে ভারতের জাতীয় দলের বাইরে আছেন মোহাম্মদ শামি। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করলেও সুযোগ পাচ্ছেন না তিনি। ডানহাতি এই পেসারকে অবশ্য জাতীয় দলে ডাকার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভারতের টেস্ট ও ওয়ানডে দলে ডাক পাওয়ার মতো যথেষ্ট কিছু সে লাল ও সাদা উভয় বলের ক্রিকেটেই করেছে।’