বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেনে স্যামসন ও অভিষেক শর্মা লক্ষ্যমাত্রার সাথে পাল্লা দিয়েই ইনিংসের সূচনা করেন। প্রথম চার ওভারেই ৬০ রান তোলেন এই দুই ব্যাটার। ক্যারিয়ারের নবম অর্ধশতক তুলে নেন স্যামসন। কিন্তু এরপরই তাকে ফেরা কিমো পল। ২৩ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন স্যামসন।
একই ওভারে ইশান কিশানের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি। ১০০ রানের আগেই ৩ উইকেট হারায় ভারত। আরেকপ্রান্তে রানের জন্য হাসফাঁস করতে থাকা অভিষেক আউট হন ২৪ বলে ২৯ রান করে। তাকে ফেরান গুড়াকেশ মোতি। আবারও একই ওভারে দুটি উইকেট হারায় ভারত। মোতির আরেক শিকারে পরিণত হয়ে গোল্ডেন ডাক করে ফিরে যান নামান ধীর।
এরপর নীতিশ কুমারকে সাথে নিয়ে আবারও ভারতকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা চালান তিলক। দুইজনের ৩২ বলে ৭০ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে ভারত। কিন্তু জয় থেকে ৪৭ রান দূরে থাকতে রোমারিও শেফার্ডের শিকার হয়ে আউট হন তিলক। তিন ছক্কা ও দুই চারে তিনি করেন ২৫ বলে ৪৩ রান। এর মাত্র ৭ বল পরেই আরেক সেট ব্যাটার নীতিশের উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় ভারত। নীতিশ খেলেন ২০ বলে ৪১ রানের ইনিংস।
শেষ পর্যন্ত ৩ বল বাকি থাকতে ২২৩ রানে অল আউট হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২৪ রানে ম্যাচ জিতে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়ানদের হয়ে কিমো পল ৫ টি উইকেট নেন। এ ছাড়া মোতি দুইটি এবং শেফার্ড ও শার্মার স্প্রিঞ্জার একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ আরো একবার ২২ গজে তান্ডব চালায় হোপের নেতৃত্বে। ভারত সফরে চতুর্থ এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিজের দ্বিতীয় শতক তুলে নেন হোপ। পুরো ২০ ওভার ২২ গজে কাটিয়ে ৯ ছক্কা ও ৪ টি চারে ১০২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক।
অন্য প্রান্তে বাকিরা বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও সময়ের দাবি মিটিয়ে হোপকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে গেছেন। তিন নম্বরে নামা শিমরন হেটমায়ার ১২ বলে ২ ছক্কা ও ৪ টি চারে ৩৩ রানের ক্যামিও খেলেন।
অন্যদিকে স্লগ ওভারে ২৬ বলে ৪৯ রানের ইনিংস খেলে ক্যারিবিয়ানদের রান আড়ইশর কাছে নিয়ে যান শারফেইন রাদারফোর্ড। ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রানের সংগ্রহ পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারতের হয়ে আর্শদ্বীপ সিং, প্রিন্স যাদব ও অক্ষর প্যাটেল একটি করে উইকেট নেন।