আবুধাবিতে একমাত্র টেস্টে দ্বাদশ খেলোয়াড় ছিলেন জাজাই। টেস্টের শেষের দিন এসে আম্পায়ারের নির্দেশ উপেক্ষা করে খেলা চলাকালীন মাঠে প্রবেশ করেছেন তিনি। যার মাধ্যমে সময় নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন জাজাই। ১৩৯তম ওভারে আবারও অনফিল্ড আম্পায়ারের অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করেন।
জাজাই খেলোয়াড় ও খেলোয়াড় সহায়ক কর্মীর জন্য আইসিসির আচরণবিধির ২.৪ ধারা লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে। যা কিনা আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন আম্পায়ারের নির্দেশ অমান্য করার সাথে সম্পর্কিত। এমন ঘটনায় জাজাইকে তিরস্কার করার পাশাপাশি তার নামের পাশে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যুক্ত করা হয়েছে।
অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ার পাশাপাশি ম্যাচ রেফারি ডেভ গিলবার্টের শাস্তিও মেনে নেন জাজাই। এর ফলে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। মূলত অনফিল্ড আম্পায়ার আহসান রাজা, আল্লাহুদ্দিন পালেকার, তৃতীয় আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব ও চতুর্থ আম্পায়ার ইজাতুল্লাহ সাফি অভিযোগগুলো এনেছিলেন।
লেভেল-১ অপরাধের নূন্যতম শাস্তি হচ্ছে আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার। সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে রয়েছে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা ও এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া। ২৪ মাসের মধ্যে এটিই জাজাইয়ের প্রথম অপরাধ। নিয়ম অনুযায়ী, ২৪ মাসের মধ্যে ৪ কিংবা তার চেয়ে বেশি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে তখন তাকে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়তে হয়।
দুইটি নিষেধাজ্ঞার পয়েন্ট পেলে একজন ক্রিকেটার এক টেস্ট অথবা দুই ওয়ানডে কিংবা দুই টি-টোয়েন্টিতে নিষিদ্ধ থাকবেন। যে ফরম্যাটে আগে সুযোগ আসবে সেই ফরম্যাটেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। আপাতত নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হচ্ছে না জাজাইকে।