আইসিসি মাসসেরার দৌড়ে গিল-অভিষেক-রাজা

প্লেয়ার অব দ্য মান্থ
ছবিঃ আইসিসি
ছবিঃ আইসিসি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রান উৎসবের এক সিরিজ শেষ করেছে ভারত। প্রতি ম্যাচেই একের পর এক রেকর্ড নতুন করে লিখেছেন শুভমান গিলরা। সেই সিরিজের পারফরম্যান্স দিয়েই আইসিসির সেপ্টেম্বর মাসের আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বিধ্বংসী ব্যাটিং করে সেই তালিকায় গিলের সঙ্গী হয়েছেন তার সতীর্থ অভিষেক শর্মা। অন্যদিকে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফর্ম করে এই দুই ভারতীয়র সাথে আছেন জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাত্র ৩২ বলে ৮২ রান করেন অভিষেক। দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯ বলে করেন ৩৯। তবে তৃতীয় ম্যাচে ছাড়িয়ে যান আগের সবকিছু। মাত্র ৪৫ বলে ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন ভারতের এই বাঁহাতি ব্যাটার। ৩০ বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করে পূর্ণ সদস্য দেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি। তিন ম্যাচে ৭৬.৩৩ গড়ে তার সংগ্রহ ২২৯ রান।

অভিষেকের এমন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জেতে ভারত। তৃতীয় ম্যাচে তার ১০৮ রানের ইনিংসে ছিল ১১টি ছক্কা। একই ম্যাচে ভারতের পাওয়ারপ্লেতে ১০০ রানও আসে, যা তাদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সিরিজ শেষে ম্যাচসেরার পাশাপাশি সিরিজসেরার পুরস্কারও পান অভিষেক।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ১০৮ বলে ১১০ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে গিল গড়েন অবিশ্বাস্য কীর্তি। ৪০৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় গিল ১৩৩ বলে অপরাজিত ২২৩ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ২৬টি চার ও ৮টি ছক্কা। এই ইনিংসের ওপর ভর করে ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে ভারত।

গিলের ২২৩ রানের ইনিংসটি সফল রান তাড়ায় কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরও। ৬২ বলে সেঞ্চুরি করে ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েন তিনি। সেপ্টেম্বরের পুরো সময়টা তাই তার জন্য ছিল রেকর্ডময়। ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার হিসেবে এমন পারফরম্যান্স তাকে মাসসেরার দৌড়ে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্যাট হাতে ধারাবাহিক ছিলেন রাজা। প্রথম ম্যাচে ৫৭ রান করে ক্রেইগ আরভিনের সঙ্গে ৯৮ রানের জুটি গড়েন। দ্বিতীয় ম্যাচে করেন ৪৫ বলে ৪৫ রান। শেষ ম্যাচে ৭২ বলে অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি বল হাতে দুটি উইকেটও নেন। সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে জিম্বাবুয়ে হেরে গেলেও রাজার অলরাউন্ড পারফরম্যান্স তাকে মাসসেরার দৌড়ে জায়গা করে দিয়েছে।

আরো পড়ুন: