মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড অজিদের ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন। ওপেনিং জুটিতেই তারা ৯০ রান তুলে নেন। মার্শ ৩৬ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হওয়ার পরই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে অজিরা। হেড আউট হন ৩৬ রান করে। এরপর কুপার কনলি করেন ৩৮ রান।
এরপর অজিরা ২০০ রানের আগেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। ম্যাট রেনশ শেষদিকে ৪৯ বলে ৪৪ রান করলেও অজিরা ম্যাচ জেতার মতো লড়াইয়ে থাকতে পারেনি। প্রোটিয়াদের হয়ে ২০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন কেশভ মহারাজ। দুটি করে উইকেট শিকার করেন করবিন বশ ও বিজর্ন ফরটুইন। একটি করে উইকেট নেন মার্কো জানসেন ও জেরাল্ড কোয়েতজি।
এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে শুরুটা ভালো হয়নি সাউথ আফ্রিকার। ২৯ রানে তারা হারিয়েছিল দুই ওপেনারকে, এরপর অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাও ফিরে যান ৩০ রানে। ১৬৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখন বড় ধাক্কা খায়। সেখান থেকে ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেন ম্যাথু ব্রিটজকে ও মার্কো জানসেন। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের ১০৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সাউথ আফ্রিকা।
ব্রিটজকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি আর জানসেনের ঝোড়ো ৭৫ রানের ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৬ রান করেছে তারা। ৪৮ বলে ৩০ রান করে বাভুমা ফিরলে চাপ আরও বাড়ে। রায়ান রিকেলটন কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও ২৭ রানের বেশি করতে পারেননি। ডেভিড মিলারও ২৪ বল খেলে করেন মাত্র ৯ রান। ফলে ব্রিটজকের ওপরই বড় দায়িত্ব পড়ে।
৭৯ বলে ৭৬ রান করা ব্রিটজকে এরপরই আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। ইনিংসে ৪৪তম ওভারে এক রান নিয়ে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি। অন্য প্রান্তে তখন ঝড় তুলছেন জানসেন। ৩১ বলে ৪১ রান থেকে মাত্র ৫৯ বলে ৭৫ রানে পৌঁছে যান এই প্রোটিয়া ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত এলিসের বলে আউট হয়ে থামেন তিনি।
এক রানের জন্য ক্যারিয়ার সেরা রান ছাড়িয়ে যেতে পারেননি তিনি। এর আগেও একবার ৭৫ রান করেছিলেন জানসেন। ইনিংসের শেষ দিকে সাউথ আফ্রিকা আরও দ্রুত রান তুলেছে। শেষ পাঁচ ওভারে এসেছে ৫৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার স্লো ওভার রেটের কারণে শেষ দুই ওভারে ফিল্ডিংয়ে বিধিনিষেধও ছিল। তবে ৪৮তম ওভারে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রানআউট হন ব্রিটজকে। তার ব্যাট থেকে আসে ১১২ রানের ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান এলিস ৩টি, অ্যাডাম জাম্পা ২টি এবং জশ হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক ও জ্যাক এডওয়ার্ডস নেন একটি করে উইকেট।