বাবার নামের কারণে বাড়তি চাপ অনুভব করেন না শেবাগ পুত্র

ভারতীয় ক্রিকেট
আর্যবীর শেবাগ
আর্যবীর শেবাগ
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
তারকা কোনো ক্রিকেটারের ছেলে হওয়া মানেই মিডিয়ার বাড়তি নজরদারি। অনেকের প্রত্যাশাও থাকে বেশি। অনেকেই বাবার সঙ্গে তুলনা টানেন। বাবার চাপ সামলে অনেকেই প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। আবার অনেকেই ঝড়ে পড়েন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগেই। বাবার নাম যদি হয় বীরেন্দর শেবাগ। এই নামের চাপ নিশ্চিতভাবেই অন্য যেকোনো চাপকেই তা হার মানাতে পারে।

আর্যবীর শেবাগও বাবার নাম পেছনে ফেলে নিজেকে মেলে ধরতে চান। এরই মধ্যে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলে ফেলেছেন আর্যবীর। অস্ট্রেলিয়ার যুব দলের সঙ্গে সিরিজটি তাকে বাড়তি অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। এই সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২৮ রান করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে অল্পের জন্য হাফ সেঞ্চুরি মিস করেছেন আর্যবীর। করেছিলেন ৪৭ রান। আর তৃতীয় ম্যাচে ৩৪।

ভারতীয় গণমাধ্যম স্পোর্টস্টারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্যবীর জানিয়েছেন ইনিংস বড় করতে না পেরে কিছুটা হতাশ তিনি। তবে সামনে সুযোগ পেলে সেটা কাজে লাগাতে চান তিনি। এ প্রসঙ্গে আর্যবীর বলেন, ‘তিনটা ম্যাচেই উইকেটে জমে গিয়েও ইনিংস বড় করতে পারিনি। ক্রিকেট পরিমণ্ডলে নিজের একটা নাম তৈরি করতে আর সম্মান অর্জন করতে হলে বড় রানের কোনো বিকল্প নেই, সেটা এখন বুঝতে পারছি।’

বাবার নামের কারণে বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করেন না বলেও জানিয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার। কোনো মন্তব্যই তাকে স্পর্শ করে বলে জানিয়ে আর্যবীর বলেন, ‘বাবার নাম এবং তার অর্জনে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এই পদবির কারণে আমার ওপর বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করি না। কে ভালো বলল আর কে সমালোচনা করল—এসব মন্তব্য আমাকে স্পর্শ করে না।’

ছেলেকে ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তুলতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে শেবাগকে। ছেলের অভিষেকের দিন গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেছেন। আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরার পর দলের ম্যানেজারের মুখ থেকে প্রথম তা জানতে পারেন আর্যবীর। এরপর রাতে শেবাগ নিজে ছেলেকে পরামর্শ দিয়েছেন স্বাভাবিক খেলাটা চালিয়ে যেতে।

আর্যবীরের ভাষায়, ‘বাবা সবসময় বলেন ব্যাটিং সহজ রাখতে—যে বলে মারা সম্ভব সেটা মারো, ছেড়ে দেওয়ার বল ছেড়ে দাও, আর যা ডিফেন্ড করার তা সোজা ব্যাটে খেলো। টেকনিকের চেয়ে মানসিকভাবে শক্ত থাকার ওপরই বাবা বেশি জোর দেন। মাথায় চিন্তা যত পরিষ্কার থাকবে, মাঠের পারফরম্যান্স তত ভালো হবে।’

আরো পড়ুন: