গত মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন স্যামসন। পাঁচ ম্যাচে ৮০.২৫ গড় ও ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। শেষ তিন ম্যাচেই করেন আশির বেশি রান। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জিতে নেন টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার।
এরপর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যর্থ হন স্যামসন। পরে বিশ্রামের কথা বলে তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরের তিন ম্যাচে তার জায়গায় সুযোগ পান সূর্যবংশী। সেখানেও অবশ্য বড় কিছু করতে পারেননি তিনি। জিম্বাবুয়ে সফরেও স্যামসনকে বিশ্রামে রাখা হলে সূর্যবংশী দুটি অর্ধশতক করেন এবং শেষ ম্যাচে ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা হন।
গম্ভীর বলেন, 'সম্ভবত সেটাই ছিল। সত্যি বলতে, আমার দুই বছরের কোচিং যাত্রায় ওই এক রাতেই আমি ঘুমাতে পারিনি। সাঞ্জুকেও কথাটা বলেছিলাম। কারণ, আমি জানতাম টি-টোয়েন্টিতে কোচ হিসেবে এটাই সম্ভবত আমার সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত।'
'যে খেলোয়াড় টুর্নামেন্টসেরা হয়েছিল, তাকেই তিন-চারটি ম্যাচের পর বাদ দিতে হবে- বিষয়টা এমনই ছিল। কারণ, বৈভবও তখন দুর্দান্ত ফর্মে ছিল। আর আমাদের সিরিজ জিততে হতো।'
স্যামসনের সঙ্গে নিজের আলোচনার কথাও জানান গম্ভীর। তার ভাষায়, 'তার সঙ্গে খুবই খোলামেলা কথা বলেছিলাম। বৈভব তখন দারুণ ফর্মে ছিল। টপ অর্ডারে আমাদের এমন কাউকে দরকার ছিল, যে রান করতে পারবে। ইনিংসের শুরুতে আমাদের একটা ভালো ভিতও গড়ে তোলা দরকার ছিল। সে বিষয়টি মেনে নিয়েছিল।'
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে আবার দলে ফিরে ভালো করেন স্যামসন। অন্যদিকে ওই সিরিজে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি সূর্যবংশী। এ নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটে আলোচনা-সমালোচনাও হয়। বর্তমানে এশিয়ান গেমসে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে আছেন দুজনই।