যদিও নভেম্বরে তাদের নিয়ে অজিদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ইংলিশরা। ১৩ থেকে ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে সিরিজটি। এরপর তাদের বিশ্রাম দিতে পারে ইংল্যান্ড। অজিদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে ইংলিশরা।
স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের অধীনে সাউথ আফ্রিকায় এটিই হবে ইংল্যান্ডের প্রথম সিরিজ। আগামী ডিসেম্বরে এই সিরিজ সামনে রেখে টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের সতেজ রাখতে চায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। এ কারণেই টি-টোয়েন্টি থেকে তাদের বিশ্রাম দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম দ্য ডেইলি মেইল।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ডাক পেতে পারেন সনি বেকার, সাকিব মাহমুদ ও জেমি ওভারটনের মতো পেসার। শ্রীলঙ্কাকে সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে গেছে হ্যারি ব্রুকের দল। দলের ক্রিকেটারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে কোনো রকমের ছাড় দিতে নারাজ ইংল্যান্ড দলের সীমিত ওভারের প্রধান কোচ ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম।
এ প্রসঙ্গে ম্যাককালাম বলেন, 'পুরো সূচি জুড়েই আমরা দেখভাল করবো কোন বিষয়গুলো আমাদের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে এবং কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের সামলানো যায়। ইংলিশ ক্রিকেট যাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে সাফল্যের সবচেয়ে ভালো সুযোগ পায়। সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।'
আগামী বছর অ্যাশেজ ও বিশ্বকাপের মতো আসর খেলবে ইংল্যান্ড। দুই জায়গাতেই সেরা ক্রিকেটারদের পেতে সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাবে ইংল্যান্ড। তাদের ফিট রাখতে সব কিছু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ইংলিশ এই কোচ। বিশেষ করে পেস বোলারদের নাম প্রকাশ না করলেও তাদের বিশ্রামের ব্যাপারে ধারণা দিয়েছেন ম্যাককালাম।
তিনি যোগ করেন, 'কীভাবে আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখা যায় আমরা সেই বিষয়টি দেখবো। বিশেষ করে পেস বোলারদের বিশ্রাম দেয়া হতে পারে টেস্ট সিরিজের আগে। সে ক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টি হতে পারে নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দেয়ার একটি ক্ষেত্র। আমাদের প্রতিভার ভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করতে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।'