দ্বিতীয় দিনের শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৬১ রানের লিড নিয়ে চালকের আসনে ইংল্যান্ড। রবিনসন ১৩ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট, এর মধ্যে ছিল ছয়টি মেডেন। আর আর্চারের গতির সঙ্গে টং ও অ্যাটকিনসনের ধারাবাহিক চাপ মিলিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিংকে পুরোপুরি বিধ্বস্ত করে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ড ক্রিকেটকে আর্চার বলেন, 'একাদশে বাড়তি পেসার থাকাটা সত্যিই দারুণ। এই গতিতে খেলতে থাকলে হয়তো ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত খেলতে পারব। প্রতিদিন অন্য কারও পালা আসবে। সবাই দুর্দান্তভাবে চাপ তৈরি করছে, সবাই উইকেট চায়। ফলে মনে হচ্ছে, কাউকেই অতিরিক্ত বল করতে হচ্ছে না, কারণ সবাই ওভার ভাগ করে নিচ্ছে।'
চার পেসারের এই সমন্বয়কে শুধু প্রতিপক্ষের জন্য নয়, নিজেদের জন্যও বড় সুবিধা হিসেবে দেখছেন আর্চার। কারও ক্লান্তি এলে বিশ্রাম নিয়ে আবার আক্রমণে ফেরার সুযোগ থাকায় দীর্ঘ টেস্টে বোলিংয়ের চাপও অনেকটাই কমে যাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।
আর্চার বলেন, 'কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়লে শুধু রুটিকে (জো রুট) বললেই হবে, সে আপনাকে বদলে দেবে। আপনি সতেজ হয়ে আবার ফিরতে পারবেন। আপনাকে খুব বেশি কিছু করতে হচ্ছে না, কারণ কেউ না কেউ আপনার জায়গাটা সামলে দিচ্ছে, যতক্ষণ না আপনি নিজের ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন।'
লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজের গতি দিয়েও আলোচনায় আর্চার। ঘণ্টায় ৯২ মাইল গতিতে নিয়মিত বল করেছেন, কয়েকবার গতি উঠেছে ৯৪ মাইলেও। তবে স্পিডগানের হিসাব নিয়ে অবশ্য কিছুটা মজা করেছেন ইংলিশ পেসার।
গতি নিয়ে আর্চার বলেন, 'না, আমার মনে হয় স্পিডগান ঠিকমতো কাজ করছে না। ফেরার পথে কয়েকটা দেখেছিলাম, দেখতে ভালোই লাগছিল। এর আগে এমন সময়ও গেছে, যখন আরও ভালো অনুভব করেছি, কিন্তু স্পিডে সেটা দেখা যায়নি। ওপরে কে কাজ করছে জানি না, তবে ধন্যবাদ-আমি এটা মেনে নিচ্ছি।'