ফ্লেমিংয়ের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য দল ও ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে প্রাথমিক বোঝাপড়া তৈরি করা। কোচিং স্টাফ, অধিনায়ক ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা করার পাশাপাশি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি। বিভিন্ন কাউন্টি দল ও লাফবোরোর বোর্ডের পারফরম্যান্স কেন্দ্রও পরিদর্শন করবেন নতুন টেস্ট কোচ।
ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে টেস্ট কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার পর ফ্লেমিংকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয় ইংল্যান্ড। দায়িত্ব নেয়ার আগে অবশ্য চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে ১৮ বছরের সম্পর্কের ইতি টানেন তিনি। তার কোচিংয়ে আইপিএলের অন্যতম সফলতম দল হয়ে ওঠে চেন্নাই।
ডিসেম্বরে সাউথ আফ্রিকা সফর দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের দায়িত্ব নেবেন ফ্লেমিং। তার সঙ্গে ম্যাককালামের সম্পর্ক বেশ পুরোনো। একসময় একসঙ্গে খেলার পাশাপাশি তারা দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদারও। এবার ইংল্যান্ডের দুই সংস্করণের কোচ হিসেবে তাদের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিশেষ করে তিন সংস্করণেই খেলা ক্রিকেটারদের বিশ্রাম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শুরু থেকেই একসঙ্গে কাজ করবেন তারা। ম্যাককালামের সঙ্গে ম্যানচেস্টারে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টির সময় দেখা করবেন ফ্লেমিং।
টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক ও সীমিত ওভারের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের সঙ্গেও কথা বলবেন ফ্লেমিং। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্রুককে বিশ্রাম দেওয়ার কথা থাকলেও নিজেই খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। টেস্ট অধিনায়ক জো রুটের সঙ্গেও আলাদা করে আলোচনা করবেন ফ্লেমিং। এসব আলোচনাতেই সাউথ আফ্রিকা সফরের প্রাথমিক পরিকল্পনা গড়ে উঠবে।
ম্যাককালামও অপেক্ষায় আছেন নতুন টেস্ট কোচের সঙ্গে বসার জন্য। তিনি বলেন, 'ফ্লেমিং আসার পর কোচিং কাঠামোয় বিভাজন হয়েছে, কিন্তু এর মানে আরও বেশি রসদ প্রয়োজন, কম নয়। আগামী কয়েক দিন আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করব। ফ্লেমিং ও আমি দেখা করে সবকিছু একসঙ্গে গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা শুরু করব।'