বাংলাদেশ সিরিজের পর অস্ট্রেলিয়ার সামনে রয়েছে জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি ওয়ানডে সিরিজ। দুই সিরিজেই হ্যাজেলউডকে দলে রাখার কথা রয়েছে। তিন ম্যাচের প্রতিটি সিরিজ থেকে দুটি করে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করছেন তিনি। তার লক্ষ্য, টেস্ট ক্রিকেটের প্রয়োজনীয় বোলিংয়ের তীব্রতা ধরে রেখে অক্টোবরের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়া।
সিডনিতে প্লে ক্রিকেট সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের পরিকল্পনা জানান হ্যাজেলউড। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য এখনো সবচেয়ে ভালো পথ হলো, যতটা সম্ভব খেলা,অবশ্যই সেটা যুক্তিসংগত সীমার মধ্যে। টেস্ট সিরিজের আগে আমাদের দুটি ওয়ানডে সিরিজ আছে। তাই দুটিতেই তিন ম্যাচের মধ্যে দুটি করে খেলতে পারি। এখন আমরা যে ধরনের ফর্মে আছি, সেটি যতটা সম্ভব ধরে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।’
চোটের কারণে গত গ্রীষ্মের অ্যাশেজসহ দীর্ঘ সময় টেস্ট ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন হ্যাজেলউড। বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্ট ছিল এক বছরেরও বেশি সময় পর এই সংস্করণে তার প্রথম ম্যাচ। দীর্ঘ বিরতির পর ফিরেই ৭ উইকেট নেওয়ায় তার ফিটনেস ও ছন্দ নিয়ে যে প্রশ্ন ছিল, সেটিরও জবাব দিয়েছেন তিনি। ম্যাকাইতে দ্বিতীয় টেস্টে উইকেট পেয়েছেন মাত্র একটি, তবে বল হাতে তার নিয়ন্ত্রণ ও গতি ছিল আগের মতোই।
বাংলাদেশ সিরিজের আগে প্রায় ১০ সপ্তাহের কঠোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন হ্যাজেলউড। সেই পরিশ্রমের পর দুই টেস্ট খেলে শরীর ভালোভাবে সাড়া দেওয়ায় সন্তুষ্ট তিনি। নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে হ্যাজেলউড বলেন, ‘শারীরিকভাবে আমি যেখানে আছি, তাতে খুবই সন্তুষ্ট। সিরিজের আগে প্রায় ১০ সপ্তাহ অনেক পরিশ্রম করেছি। সামনে যা আসছে, তার আগে সেটিই ছিল আমাদের শেষ বড় প্রস্তুতি পর্ব। সেখান থেকে প্রায় কোনো সমস্যা ছাড়াই বের হতে পেরে আমি খুবই খুশি।’
এখন সেই প্রস্তুতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান হ্যাজেলউড। অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দল আগামী মাসে প্রথমে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলবে, এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও তিনটি ওয়ানডে রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে সিরিজ শেষ হওয়ার পরই শুরু হবে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। প্রথম টেস্ট ৯ অক্টোবর ডারবানে।