সেই জল্পনার বড় অংশজুড়ে ছিল চেন্নাইয়ের মালিকানায় ধোনির অংশীদার হওয়ার খবর। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ধোনি প্রথমে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ২৫ শতাংশ মালিকানা চেয়েছিলেন। পরে সেই দাবি ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয় বলেও খবর আসে। বিপরীতে চেন্নাই সর্বোচ্চ ৫ থেকে সাড়ে ৫ শতাংশ অংশ দিতে রাজি ছিল বলে দাবি করা হয়। তবে এসব তথ্যের কোনোটিই ধোনি বা চেন্নাই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
এবার সেই গুঞ্জন সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন চেন্নাইয়ের প্রধান নির্বাহী কাশি বিশ্বনাথন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে বিশ্বনাথন বলেন, 'গুঞ্জনগুলো পুরোপুরি ভিত্তিহীন।'
ধোনি ও চেন্নাইয়ের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৬ মৌসুমে ধোনির পুরোপুরি অনুপস্থিতি সেই জল্পনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। কয়েকটি প্রতিবেদনে মালিকানা নিয়ে কথিত মতপার্থক্যের সঙ্গে তার না খেলার বিষয়টিকেও জুড়ে দেওয়া হয়। তবে চোটের কারণে ধোনির অনুপস্থিতি এবং মালিকানা নিয়ে কথিত বিরোধের মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে,এমন তথ্য চেন্নাই নিশ্চিত করেনি। বরং বিশ্বনাথনের বক্তব্যে মালিকানা নিয়ে আলোচনার দাবিই পুরোপুরি নাকচ করা হয়েছে।
মালিকানা নিয়ে গুঞ্জনের পাশাপাশি ধোনির আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়েও চলছে আলোচনা। ২০২৬ মৌসুমে চোটের কারণে একটি ম্যাচও খেলতে না পারায় ২০২৭ সালে তিনি আদৌ মাঠে ফিরবেন কি না, সেই প্রশ্ন এখন বড় হয়ে উঠেছে। তবে এখন পর্যন্ত ধোনি নিজে আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো ঘোষণা দেননি।
ধোনির ২০২৭ মৌসুমে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্বনাথন বলেন, ‘ধোনি এখনো বলেনি যে সে খেলবে না। তাই অপেক্ষা করা যাক। এই মুহূর্তে এমএসের সঙ্গে আমরা কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করিনি। এমএস নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেয়, আর আমরা সেটাকে সম্মান করি। আমরা চাই, যেকোনো ভূমিকায় ধোনি চেন্নাইয়ে স্থায়ীভাবে থাকুক, খেলোয়াড়, কোচ, মেন্টর, সে যে ভূমিকাই পছন্দ করুক। সিদ্ধান্তটা পুরোপুরি তার।'