ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পর ভারতের কাছ থেকে শীর্ষস্থান ছিনিয়ে নিয়েছিল ইংলিশরা। এর আগে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়ারল্যান্ডের কাছেও ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয় সবশেষ দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী ভারত। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা দুই জয়ে আবারও র্যাঙ্কিংয়ের চূড়ায় ফিরেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল।
যদিও দুই দলেরই রেটিং এখন ২৬৮, তবে বেশি রেটিং পয়েন্ট থাকায় আবারও এক নম্বরে উঠে এসেছে ভারত। ৬০ ম্যাচে ভারতের সংগ্রহ ১৬,০৮৮ পয়েন্ট। সমান রেটিং নিয়েও ৩৮ ম্যাচে ১০,১৮৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে ইংল্যান্ড।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের দাপট ও বৈভব সূর্যবংশীর রেকর্ড ইনিংসে সহজ জয় পেয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটারদের দাপটে আরও বড় জয় তুলে নেয় তারা।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। সেখান থেকে ইশান কিশান ও অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ৬৬ রানের জুটি গড়ে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর ভিত্তি এনে দেন। পরে তিলক ভার্মা মাত্র ২৯ বলে অপরাজিত ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। আর ম্যাচের সর্বোচ্চ ৮১ রান আসে ইশান কিশানের ব্যাট থেকে।
ভারত ও ইংল্যান্ডের পর টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়ার রেটিং ২৬০, নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ২৪৪। এরপর যথাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে আছে পাকিস্তান (২৪০) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২৩৪)।
বাংলাদেশ রয়েছে অষ্টম স্থানে। ৫৩টি ম্যাচ থেকে টাইগারদের রেটিং ২২৪। তাদের ঠিক পরেই রয়েছে শ্রীলঙ্কা (২২১) ও আফগানিস্তান (২২০)। আয়ারল্যান্ড ২০৫ রেটিং নিয়ে আছে ১১তম স্থানে, আর জিম্বাবুয়ে ২০২ রেটিং নিয়ে ১২ নম্বরে। তালিকার ১৩ ও ১৪ নম্বরে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র (১৮৩) এবং নেদারল্যান্ডস।