চোটের কারণে আইপিএলে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি হার্দিক। ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ শেষে জাতীয় দলের হয়ে খেলার কথা ছিল তার। দেশের মাটিতে আফগানিস্তান সিরিজে খেলারও কথা ছিল তার। তবে কোয়াড্রিসেপসের আফগানদের বিপক্ষে খেলতে পারেননি হার্দিক। এমনকি ইংল্যান্ড সফরেও যেতে পারেননি ভারতীয় এই অলরাউন্ডার।
এমনকি আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সফরেও খেলা হয়নি হার্দিকের। জানা গেছে, আপাতত পেস বোলিং অলরাউন্ডারকে টি-টোয়েন্টিতে ফেরানোর ব্যাপারে ভাবছে না ভারত। ২০২৭ সালে সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াতে হবে পরের ওয়ানডে বিশ্বকাপে। ৫০ ওভারের আইসিসি টুর্নামেন্টে হার্দিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা খুব ভালো করেই জানে তারা।
এমন অবস্থায় শুধু মাত্র ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য তাকে প্রস্তুত করছে বিসিসিআই। তাৎক্ষণিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ফেরানোর অগ্রাধিকার না থাকায় দীর্ঘমেয়াদী ‘পারফরম্যান্স ব্লক’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে বিসিসিআইয়ের মেডিকেল বিভাগ। আপাতত বিশ্বকাপের আগের এক বছর ওয়ানডেতে হার্দিককে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে তারা।
এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেভস্পোর্টসকে টিম ম্যানেজমেন্টের সংশ্লিষ্ট একজন বলেন,‘ আমাদের মূল লক্ষ্য ২০২৭ বিশ্বকাপ। সেই মহাযজ্ঞে পুরোপুরি ফিট এক হার্দিককে ভারতীয় দলের বড্ড প্রয়োজন। তার চোটের ইতিহাস মাথায় রেখেই এই মুহূর্তে দ্বিপাক্ষিক সাদা বলের ক্রিকেট নিয়ে আমরা ভাবছি না।’
‘বিশ্বকাপের আগের একটি বছর তাকে মূলত ওয়ানডে ক্রিকেটেই বেশি ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। একটি বিশেষ প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে সে যাচ্ছে। বিশ্বকাপে তাকে শতভাগ প্রস্তুত অবস্থায় পাওয়া যাবে—এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।’
তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলতে আগষ্টের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ সফর করার কথা রয়েছে ভারতের। সিরিজটি নিয়ে সংশয় থাকলেও সম্প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে মৌখিক আলোচনা শুরু করেছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। সাদা বলের সিরিজটি হলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে হার্দিকের খেলার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে।