২০২২ সালের শুরুতে আফগানিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব নেন শহীদি। তাঁর নেতৃত্বেই ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশ নেয় আফগানিস্তান। শহীদির অধিনায়কত্বে বড় কয়েকটি সাফল্যও পেয়েছে দলটি। ২০২৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে সেমিফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল আফগানিস্তান। যদিও শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি তারা।
সাড়ে চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর এবার অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শহীদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘আজ আমি পূর্ণ সম্মান ও নিজের ইচ্ছায় আফগানিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য ছিল অনেক বড় সম্মানের। সততা, ঐক্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমি গর্বিত।’
দলের সাফল্যের কৃতিত্ব সতীর্থ, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদেরও দিয়েছেন শহীদি। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে, কর্মকর্তা, কোচ ও খেলোয়াড়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনেক জয় পেয়েছি, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জিতেছি, বড় বড় দলকে হারিয়েছি এবং দেশের নাম উজ্জ্বল করেছি। এসব অর্জন শুধু আমার নয়, পুরো দলের ঐক্য, ত্যাগ ও পরিশ্রমের ফল।’
সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শহীদি বলেন, ‘আমার দলের সব খেলোয়াড়কে আন্তরিক ধন্যবাদ। প্রতিটি জয় ও কঠিন সময়ে তারা আমার পাশে ছিল।’
দলের কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘তারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন এবং সব সময় সমর্থন দিয়েছেন। তাদের এই বিশ্বাস ও সহযোগিতা আমি সব সময় মনে রাখব।’
অধিনায়কত্ব ছাড়লেও ওয়ানডে ক্রিকেটে খেলোয়াড় হিসেবে আফগানিস্তানের হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন শহীদি। আগামী মাসের শুরুতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করতে পারে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।