করোনাভাইরাসের সময় থেকেই টেস্টে সুবিধা করতে পারছিলেন না কোহলি। বছর তিনেকের মতো সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। একের পর এক সমালোচনার পর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে সেঞ্চুরির দেখা মেলে ডানহাতি ব্যাটারের। তবে ক্রিকেটে অভিজাত সংস্করণে পুরনো কোহলিকে আর ফিরে পাওয়া যায়নি। সবশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরেও ব্যাট হাতে ছন্দে ছিলেন না ভারতের সাবেক অধিনায়ক।
বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির সবশেষ সিরিজে পাঁচ টেস্টে তিনি ৯ ইনিংসে ২৩.৭৫ গড়ে ১৯০ রান করেছিলেন। এমন পারফরম্যান্সের পর জাতীয় দলে কোহলি জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। টিম ম্যানেজমেন্টের ভেতরেও খানিকটা অসন্তুষ্টির গুঞ্জন শোনা যায়। এমন অবস্থায় আইপিএল চলাকালীন হুট করেই টেস্ট ক্রিকেট ছাড়েন কোহলি। এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন কপিল নিজেও।
ভারতের হয়ে ১২৩ টেস্ট খেলে ৪৬.৮৫ গড় ও ৩১ সেঞ্চুরিতে ৯ হাজার ২৩০ রান করেছেন কোহলি। সুনীল গাভাস্কার, শচীন টেন্ডুলকার ও রাহুল দ্রাবিড়ের পর ভারতের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করার সুযোগ ছিল তার সামনে। তবে এসব না ভেবেই টেস্ট ছেড়েছেন কোহলি। গত ৬ মাসে ডানহাতি ব্যাটারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভেবেছেন কপিল। ভারতের সাবেক অধিনায়ক উপলব্ধি হচ্ছে, রাগের মাথায় কোহলির এমন করা উচিত হয়নি।
এ প্রসঙ্গে কপিল বলেন, ‘এটা আসলে ১০ হাজার রানের ব্যাপার না। গত ৬ মাস ধরে আমি যেটা ভাবছি রাগের মাথায় এটা (টেস্ট থেকে অবসর) করা তার (কোহলি) উচিত হয়নি। কারণ আপনি আবার ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পাবেন না। তারপর আপনি শুধু কথাই বলতে পারবেন। আপনি যখন খেলছেন তখন রাগের মাথায় প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত না।’
টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ছেড়ে দেওয়ায় কেবলমাত্র ওয়ানডেতে দেখার সুযোগ মেলে কোহলিকে। এ ছাড়া ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে আইপিএলে ডানহাতি ব্যাটার খেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে। ফিটনেস ও পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে পরিবারকে সময় দিতে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ছাড়তে পারেন ৫০ ওভারের ক্রিকেটও।