বর্তমানে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছিল ইনিংস ও ২১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে। প্রথম টেস্টে ওপেনার হিসেবে খেলেছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা। তবে তিনি দুই ইনিংসে করেন মাত্র ২ ও ৩ রান। পরবর্তীতে জানানো হয়, ম্যাচের পর থেকেই তিনি তীব্র কব্জির ব্যথায় ভুগছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ৩০ জুন তিনি চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান।
অন্যদিকে পেস বোলার লাহিরু কুমারাও প্রথম টেস্টে চোটে পড়েন। তিনি মাত্র এক ওভার বল করার পরই ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে টান অনুভব করেন এবং মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। এটি তার জন্য নতুন কোনো চোট নয়; আগেও একই ধরনের হ্যামস্ট্রিং সমস্যায় ভুগেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি গ্রেড ওয়ান টিয়ার থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।
কুমারা না থাকায় প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬২৬ রানের বড় স্কোর গড়ে যেখানে আমির জানগু ও রস্টন চেজ রেকর্ড ৪০১ রানের জুটি গড়েন। ভিশভা ফার্নান্দোও স্কোয়াডে জায়গা পাননি, কারণ প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করার সময় তার ডান পাশের পিঠ, কোমর ও নিতম্বে ব্যথা ফিরে আসে। যদিও তিনি ধীরে ধীরে উন্নতি করছিলেন, তবে এখনো পুরোপুরি ফিট নন বলে জানিয়েছে বোর্ড।
রমেশ মেন্ডিসের ক্ষেত্রেও রয়েছে অসুস্থতার সমস্যা। অস্ট্রেলিয়া সফরের পর ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মাঠের বাইরে আছেন। ইনজুরি সমস্যার পাশাপাশি প্রথম টেস্টে কাসুন রাজিথার বাজে পারফরম্যান্সের কারণে সুযোগ তৈরি হয়েছে পেসার ইসিথা উইজেসুন্দরার টেস্ট অভিষেকের।
দ্বিতীয় টেস্টের জন্য শ্রীলঙ্কার স্কোয়াডঃ নিশান মাদুশকা, দিনেশ চান্দিমাল, কামিন্দু মেন্ডিস, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস, সোনাল দিনুসা, মিলান রথনায়েকে, কাসুন রাজিথা, আসিথা ফার্নান্দো, প্রভাত জয়াসুরিয়া, পাসিন্দু সুরিয়াবান্দারা, লাহিরু উদারা ও ইসিথা উইজেসুন্দেরা।