ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে অনুষ্ঠিত এই ড্রাফটে মোট ৩৬ জন ক্রিকেটারকে দলে ভেড়ানো হয়। আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস থেকে ১২ জন করে খেলোয়াড় ড্রাফটে অন্তর্ভুক্ত হন। অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম পছন্দ ছিলেন আমস্টারডাম ফ্লেমসের কার্টিস ক্যাম্ফার, আইরিশ উলভসের ম্যাথিউ হামফ্রিস, ডাবলিন গার্ডিয়ানসের বেঞ্জামিন ক্যালিটজ, এডিনবরা ক্যাসেল রকার্সের গ্যারেথ ডিলানি এবং গ্লাসগো কসমিকের ব্র্যাড কারি।
এর বাইরে আমস্টারডাম ফ্লেমস দলে নিয়েছে কাইল ক্লেইন ও টিম প্রিঙ্গলকে। আইরিশ উলভস পেয়েছে পল স্টার্লিং ও ফ্রেড ক্লাসেনকে। ডাবলিন গার্ডিয়ানস দলে ভিড়িয়েছে জর্জ ডকরেল ও ক্রেইগ ইয়াংকে। এডিনবরা ক্যাসেল রকার্স নিয়েছে রস অ্যাডেয়ার ও সাফিয়ান শরিফকে। গ্লাসগো কসমিক দলে নিয়েছে ম্যাথিউ ক্রস ও পল ভ্যান মিকারেনকে। আর রটারডাম ডকার্স জয় মুন্দ্রার সঙ্গে দলে নিয়েছে মাইকেল লেভিট ও রায়ান ক্লেইনকে।
রটারডাম ডকার্সের মালিক জন্টি রোডস জানিয়েছেন, মুন্দ্রা ছিলেন তাদের অগ্রাধিকারের তালিকায়। তিনি বলেন, 'আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেভাবে জয় মুন্দ্রা নিজের আগমনী বার্তা দিয়েছে, তাতে আমরা তাকে দলে নিতে খুবই আগ্রহী ছিলাম। সে দারুণ সম্ভাবনাময় একজন তরুণ ক্রিকেটার। তাকে দলে পেয়ে আমরা আনন্দিত। আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটারদের নিয়ে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি দল গড়তে পেরেছি।'
ড্রাফটের পর ডাবলিন গার্ডিয়ানসের অধিনায়ক ও মেন্টর রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেন, ড্রাফটে তাদের মূল লক্ষ্য ছিল দলের ভারসাম্য, কোনো নির্দিষ্ট দেশের ক্রিকেটার নয়।
অশ্বিন বলেন, 'আমাদের বেশিরভাগ পছন্দই আইরিশ ক্রিকেটার হলেও জাতীয়তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো খেলোয়াড়ের মান এবং সে দলের পরিকল্পনার সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারবে। আমার বিশ্বাস, ড্রাফট বা নিলামে যাকে নেওয়া হবে, তাকে অবশ্যই এমন একজন হতে হবে, যাকে প্রয়োজনে একাদশে খেলানো যায়।'