আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের বিশ ওভারের সিরিজের জন্য ভারতীয় দলে জায়গা পেলেও এখন পর্যন্ত একাদশে সুযোগ মেলেনি সূর্যবংশীর। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে উদ্বোধনী জুটি হিসেবে খেলেছেন অভিষেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসন। ফলে পুরো সময়ই মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তরুণ এই ব্যাটারকে।
শাস্ত্রী মনে করেন, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সূর্যবংশীকে খেলানো হলে তিনি বড় প্রভাব ফেলতে পারতেন। সনি ক্রীড়া সম্প্রচারমাধ্যমে তিনি বলেন, 'আরে, ওর তো খেলা উচিত ছিল। উইকেট ছিল ধীরগতির, মাঠও ছিল ছোট। ওই পরিস্থিতিতে ও প্রতিপক্ষের বোলারদের গুঁড়িয়ে করে দিত। ওকে অবশ্যই খেলানো উচিত ছিল। এখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সুযোগ পাবে কি না, জানি না। তবে যত দ্রুত সম্ভব ওকে একাদশে নেওয়া উচিত।'
ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, 'আইপিএলে ও প্রায় সব বোলারকেই দাপটের সঙ্গে খেলেছে। কোনো দ্রুতগতির বোলারকে ছাড় দেয়নি। অথচ এখন ওকে শুধু মাঠের বাইরে বসিয়ে রাখা হচ্ছে।'
এরই মধ্যে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে হেরে গেছে ভারত। তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এটিই আয়ারল্যান্ডের প্রথম সিরিজ জয়। তবে এই ফলও শাস্ত্রীর অবস্থান বদলাতে পারেনি। তার মতে, সূর্যবংশীর মতো ক্রিকেটার দলে বাড়তি শক্তি যোগ করতে পারে।
সম্প্রতি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতকে শিরোপা জিতিয়েছেন সূর্যবংশী। ফাইনালে খেলেছিলেন ১৭৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। এরপর ২০২৬ সালের আইপিএলে ৭৭৬ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কার জেতেন। সেই সঙ্গে এই স্বীকৃতি পাওয়া সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটারও হন তিনি।
শাস্ত্রীর ভাষায়, 'সূর্যবংশী দলের বাড়তি শক্তি। ওর ওপর কোনো চাপ নেই, ভয়ও নেই। বয়স মাত্র ১৫ বছর, তাই স্বাভাবিক সাহস নিয়েই খেলে। শুরুতে দুই-তিন ওভার টিকে গেলে এমন সূচনা এনে দিতে পারে, যার সুবিধা নিতে পারবে পরের ব্যাটাররা। তাই ওর জন্য একাদশে জায়গা বের করতেই হবে।'