তাকে ছাড়াই দলটি তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সাউদাম্পটনে দ্বিতীয় ম্যাচে ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়ার পর থেকেই তিনি বাইরে ছিলেন। এর আগে এপ্রিলের শেষ দিকে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে গিয়ে একই ধরনের ইনজুরিতে পড়েছিলেন তিনি।
যার কারণে নিউজিল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজসহ ইংল্যান্ডের পুরো প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তুতি পর্বেও খেলতে পারেননি।বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩ রান এবং ভারতের বিপক্ষে ৫৭ রান করেছিলেন তিনি। এরপর বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত ৪৬ এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন।
ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সিভার ব্রান্ট বলেন, ‘আমরা সত্যিই সবকিছু উজাড় করে চেষ্টা করেছি। আমি শারীরিকভাবে এখন যেখানে আছি তা নিয়ে খুবই খুশি। আমি এবং মেডিকেল টিম সবাই মিলে পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট। শারীরিকভাবে আমি ম্যাচের সব অংশেই অংশ নিতে পারছি, তাই এই দিক থেকে আমি বেশ খুশি।’
সিভার ব্রান্ট একাদশে ফিরলে কে বাদ পড়বেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। তার অনুপস্থিতিতে তিন নম্বরে খেলেছেন সোফিয়া ডানকলি, যিনি টুর্নামেন্টের শুরুতে খুব একটা সুযোগ পাননি। পরে একাদশে ফিরে এসে তিনি ৫৭, ১৪ এবং অপরাজিত ৪৯ রান করেছেন। চার নম্বরে নেমে এলিস ক্যাপসি তিন ম্যাচে ৭৩ রান করেছেন।
সিভার ব্রান্ট জানিয়েছেন তাকে ছাড়াই ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার দারুণ পারফরম্যান্স করেছে। ফলে যে কেউ বাদ পড়লে তিনি হতাশ হবে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, ইনজুরি ফেরার কারণে তিনি টুর্নামেন্টে দুই ম্যাচ মিস করবেন। তবে পরে তিনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও খেলতে পারেননি। তার অনুপস্থিতিতে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চার্লি ডেন।
ফেরার স্বস্তি নিয়ে সিভার ব্রান্ট বলেন, ‘মাঠ ছাড়ার সময় ঠিক কী হয়েছে তা পুরোপুরি বুঝতে পারিনি, শুধু জানতাম কিছু একটা হয়েছে। স্ক্যানের ফল আসার পর থেকেই আমরা এই ম্যাচকে সামনে রেখেছিলাম। নিউজিল্যান্ডের ম্যাচটি তখনই একটু তাড়াতাড়ি হয়ে গিয়েছিল। এই ম্যাচটাই ছিল লক্ষ্য, তাই সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়েছে।’