কেন্দ্রীয় চুক্তির এ, বি, সি ও ডি ক্যাটাগরির পরিবর্তে চালু করা হয়েছে পাঁচটি পৃথক ট্র্যাকভিত্তিক কাঠামো। খেলোয়াড়দের ভূমিকা, ফরম্যাটভিত্তিক বিশেষায়ন এবং উন্নয়নের ধাপ অনুযায়ী এই শ্রেণিবিন্যাস করা হবে। ট্র্যাক 'এ' ও 'বি'তে থাকবেন পাকিস্তানের সেরা মাল্টি-ফরম্যাট ক্রিকেটাররা। যারা টেস্ট ও ওয়ানডেতে নিয়মিত খেলে থাকেন।
প্রয়োজন অনুযায়ী তারা টি-টোয়েন্টিতেও খেলতে পারবেন, তবে তাদের মূল্যায়ন হবে মূলত লম্বা ফরম্যাটের ক্রিকেটে অবদানের ভিত্তিতে। ট্র্যাক 'এ' তে রাখা হয়েছে বিশেষভাবে লাল বলের ক্রিকেটারদের জন্য। টেস্ট ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করতে এই শ্রেণির খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধাও দেয়া হবে।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের মূল ক্রিকেটাররা থাকবেন ট্র্যাক 'বি' ও 'সি'তে। অন্যদিকে ট্র্যাক 'সি' নির্ধারণ করা হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলা ক্রিকেটারদের জন্য। এই শ্রেণির খেলোয়াড়রা জাতীয় দলের দায়িত্বের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার ক্ষেত্রে আরও বেশি নমনীয়তা পাবেন।
উদীয়মান ক্রিকেটারদের জন্য রাখা হয়েছে ট্র্যাক 'ডি'। জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি (এনসিএ) এবং ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো থেকে চিহ্নিত প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পিসিবির দাবি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই ধরনের কাঠামো প্রথমবারের মতো চালু করা হচ্ছে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী খেলোয়াড়দের মূল্যায়ন হবে মূলত একই ফরম্যাটভিত্তিক ট্র্যাকের অন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে তুলনা করে, সব ফরম্যাটকে একসঙ্গে বিবেচনায় না নিয়ে। এ প্রসঙ্গে নাকভি বলেন, 'আমরা এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছি যেখানে ৮৫ শতাংশ মূল্যায়ন হবে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে, আর ১৫ শতাংশ থাকবে নির্বাচক কমিটির বিবেচনায়।'