আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কার সীমিত ওভারের সিরিজ। রাজশাহীতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর সিলেটে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল। এই সিরিজের পর আগামী জুনে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তাই দায়িত্ব গ্রহণের পরই শিষ্যদের নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিডন্স। বিশেষ মনযোগ দিয়েছেন পাওয়ারকে কাজে লাগিয়ে বড় শট খেলার দক্ষতার দিকে।
ব্যাটিং কোচ হিসেবে বেশ নাম কুড়ানো সিডন্সের সান্নিধ্যে দারুণ প্রস্তুতি হয়েছে বলে মনে করেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুও। বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে তিনি বলেন, 'আজ আমি গর্ব করে বলতে পারি, আমার দায়িত্ব নেয়ার আগে নারী ক্রিকেট যতটা সীমিত ছিল, এখন তা অনেকটাই ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় এসেছে। তরুণ খেলোয়াড়রা এগিয়ে এসে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এই খেলাকে আরও এগিয়ে নেয়ার পথেই আছে। তাই জেমি সিডন্সের আগমন নারী ক্রিকেটকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বড় পদক্ষেপ।'
২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্বে ছিলেন সিডন্স। পরবর্তী ২০২২ সালে আবারো ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্বে বাংলাদেশে ফেরেন তিনি। ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার সহকারী কোচের দায়িত্ব পালনসহ অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটেও কোচ হিসেবে বেশ সফল সিডন্স। খেলোয়াড় হিসেবে জাতীয় দলের ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে দশ হাজারের বেশি রান করার কীর্তিও আছে তার।
সিডন্সের অধীনেই তাই শ্রীলঙ্কার মেয়েরা দারুণ কিছু অর্জন করবে বলে বিশ্বাস লন্কান অধিনায়কের, 'নারী ক্রিকেটকে সমান অবস্থানে আনতে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট ব্যাপক ও দীর্ঘমেয়াদি কাজ করেছে। অতীতের খেলোয়াড়রাও সবসময় দলের পাশে থেকে সমর্থন জুগিয়েছেন, আর কোচিং স্টাফের নিরলস প্রচেষ্টায় নারী দলটি প্রতিদিন আরও শক্তিশালী ও উন্নত দলে পরিণত হচ্ছে।'