এদিকে আইপিএলের শুরুতে খেলতে পারবেন না হায়দরাবাদের নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। এবার এডওয়ার্ডসের চোট বড় ধাক্কা দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে। কোমরের স্ট্রেস ইনজুরি থেকে এখনও পুরোপুরি সেরে উঠেননি কামিন্স। সদ্য সমাপ্ত বিগ ব্যাশ লিগে দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন এডওয়ার্ডস।
সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ফাইনালে ওঠার পথে ১২ ইনিংসে ১৯ উইকেট নেন তিনি, গড় ছিল ১৮.৪৭। তবে ফাইনালে পার্থ স্কর্চার্সের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে তার দল। ফাইনালের মাত্র চার দিন পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় এডওয়ার্ডসের। লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেলার সুযোগ পান তিনি।
সেই ম্যাচে দুই ওভারে ২৫ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ৬ বলে করেন মাত্র ৫ রান। এডওয়ার্ডস সম্প্রতি নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে শেফিল্ড শিল্ডে দুটি ম্যাচ খেলেছেন। মৌসুমের শুরুতেই নিজেদের তিন বিদেশি পেসারের মধ্যে দুজনকে পাচ্ছে না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ফলে ইংল্যান্ডের ব্রাইডন কার্সই এখন তাদের দলে একমাত্র বিদেশি পেসার।
অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক কামিন্সের অনুপস্থিতিতে হায়দরাবাদ দলের নেতৃত্ব দেয়ার কথা রয়েছে ইশান কিশানের, আর সহ অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অভিষেক শর্মা। এডওয়ার্ডসের চোটে ছিটকে পড়ার ফলে আইপিএলে চোটের কারণে অনুপস্থিত অস্ট্রেলিয়ান বোলারের সংখ্যা দাঁড়াল চারজনে।
এর মধ্যে রয়েছেন প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও নাথান এলিস। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে এলিস ইতোমধ্যে চেন্নাই সুপার কিংস থেকে ছিটকে গেছেন। অন্যদিকে হ্যাজলউডের ফিটনেস নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। ২০২৫ সালের শেষদিকে ভারতের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজের পর আর মাঠে দেখা যায়নি তাকে।